আঙুল কেটে ডিম্পলকে সিঁদুর পরিয়েছিলেন বিক্রম, তাঁর স্মরণে আজও অবিবাহিতা তাঁর বান্ধবী, বিশ্বাসই করেননি ‘শেরশাহ’-র লেখক

কিছুদিন আগেই মুক্তি পেয়েছে ‘শেরশাহ’ ছবিটি। এই ছবি মুক্তি পাওয়ার পর থেকেই প্রয়াত ক্যাপ্টেন বিক্রম বাত্রার জীবন কাহিনী জানতে বেশ উৎসুক হয়ে পড়েছে অনেকেই। কার্গিল যুদ্ধে নিজের শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত লড়ে প্রতিপক্ষদের বেগ পাইয়ে ছিলেন তিনি। আজ, ৯ই সেপ্টেম্বর সেই শহিদ বিক্রম বাত্রার জন্মদিন। আজ তাঁর জন্মদিনে যুদ্ধ নয়, বরং তাঁর প্রেম জীবনের দিকে একটু নজর দেওয়া যাক।

‘শেরশাহ’ ছবিতে অভিনয় করেছেন অভিনেতা সিদ্ধার্থ মালহোত্রা ও অভিনেত্রী কিয়ারা আডবানি। ক্যাপ্টেন বিক্রম বাত্রার চরিত্রে দেখা গিয়েছে সিদ্ধার্থকে ও বিক্রমের বান্ধবী ডিম্পল চিমার চরিত্রে অভিনয় করেছেন কিয়ারা। তাদের অভিনয় দর্শকের চোখে জল এনে দেয়।

তবে আসল বিক্রম ও ডিম্পলের প্রেমকাহিনী বেশ অবাক করেছিল ‘শেরশাহ’ ছবির লেখক সন্দীপ শ্রীবাস্তবকে। এই ছবিতে এক জায়গায় দেখানো হয়েছে যে বিক্রম তাঁর আঙুল কেটে সেই রক্ত দিয়ে ডিম্পলের সিঁথিতে সিঁদুর পরিয়ে দিচ্ছেন। এই কথাটা প্রথমে বিশ্বাসই করেন নি সন্দীপ।

 

View this post on Instagram

 

A post shared by amazon prime video IN (@primevideoin)

সন্দীপ ভেবেছিলেন হয়ত এই দৃশ্যটি পরিচালকের মনগড়া। তবে ডিম্পলের সঙ্গে দেখা করার পর ভুল ধারণা ভাঙে সন্দীপের। ছবির জন্য ডিম্পল চিমার সঙ্গে ২-৩ বার দেখা করতে হয়েছিল সন্দীপকে। তখন ডিম্পলই জানিয়েছিলেন যে আঙুল কেটে সিঁদুর পরানোর ঘটনাটি বাস্তবে সত্যি। এরপরই এই বিষয়টি ছবির জন্য লিখেছেন তিনি।

সন্দীপের কথায়, “আমরা চেয়েছিলাম শেরশাহতে বুক চাপড়ানো দেশভক্তি না দেখাতে। বরং সবটাই সাধারন, যেমন বাস্তবে হয়েছিল তেমনটাই রাখতে। আর আমার মনে হয় এই জন্যই ছবিটি আজ এত ভালবাসা পাচ্ছে। ছবিটি কার্গিল যুদ্ধ নয় বরং শেরশাহ বিক্রম বাত্রার জীবনের উপর তৈরি। আর তাঁর জীবনের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গি ভাবে জড়িয়ে রয়েছেন ডিম্পল চিমা যিনি এখনও অবিবাহিত। তাই ওই অংশটা কোনো ভাবেই বাদ দেওয়া যেত না”।

 

View this post on Instagram

 

A post shared by Sidharth Malhotra (@sidmalhotra)

আজ বিক্রম বাত্রার জন্মদিনে রুপোলী পর্দার বিক্রম বাত্রা তাঁকে অর্থাৎ ‘শেরশাহ’ ছবির নায়ক সিদ্ধার্থ মালহোত্রা সোশ্যাল মিডিয়ায় শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। বিক্রম বাত্রার কিছু ছবি কোলাজ করে তিনি ক্যাপশন দেন, “প্রিয় শেরশাহ, সকলে বলে যারা আমাদের জীবনকে গভীরভাবে স্পর্শ করে, তারা আমাদের হৃদয়ে চিরকাল থেকে যায়। আর ক্যাপ্টেন বিক্রম বাত্রা, আপনি নিজের বীরত্ব, সাহস, জ্ঞান ও দেশের প্রতি নিজের ভালোবাসা দিয়ে আমাদের জীবনকে স্পর্শ করেছেন। আপনি সর্বদা আমাদের হৃদয়েই থাকবেন। আপনার সুন্দর স্মৃতির উদ্দেশ্যে, জয় হিন্দ”।

RELATED Articles