কিছুদিনের মধ্যেই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী যোগ দেবেন তৃণমূলে, দেবাংশুর মন্তব্যে উত্তাল বঙ্গ রাজনীতি

শনিবার বারবেলাতে অবশেষে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে তৃণমূলে যোগ দেন বাবুল সুপ্রিয়। তাঁর এমন সিদ্ধান্ত রাজ্য রাজনীতিতে রীতিমতো শোরগোল ফেলে দিয়েছে। বাবুলের তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর তৃণমূল যুব নেতা দেবাংশু ভট্টাচার্যের এক মন্তব্যে ফের উত্তাল হল বঙ্গ রাজনীতি।

কিছুদিন আগেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রিত্ব হারিয়েছিলেন বাবুল। ফেসবুকে ঘোষণা করেছিলেন যে তিনি রাজনীতি ছাড়ছেন। তবে সেই কথা আর রাখা হল না। জল্পনার অবসান ঘটিয়ে তিনি এলেন ঘাসফুল শিবিরেই।

বাবুল সুপ্রিয় দলবদল করার পরই ফেসবুক লাইভে আসেন যুব তৃণমূল নেতা দেবাংশু ভট্টাচার্য। প্রধানমন্ত্রী থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, কাউকেই এদিন তোপ দাগতে ছাড়লেন না দেবাংশু। এদিন তিনি বলেন, “অমিত শাহকে তো রাজনীতির চাণক্য বলা হয়। কিন্তু তিনি কেমন চাণক্য যে নিজের দলে সদস্যদেরই ধরে রাখতে পারছেন না। এর মানে রাজনীতির আসল চাণক্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, যিনি বারবার রাজনীতির ময়দানে শান্ত থেকে, রাস্তায় নেমে নিজেকে প্রমাণিত করেছেন”।

এদিন ফেসবুক লাইভে প্রধানমন্ত্রীকে কটাক্ষ করে তৃণমূল যুবনেতা বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জন্মদিনে এটা একটা রিটার্ন গিফট। এখন আগামী ৫ বছর আপনারা টিভির সামনে বসে শুধু পপকর্ণ খেয়ে যান। খেলা তো সবে শুরু হয়েছে। দেখাবেন মানুষের পাশে থাকা কাকে বলে, উন্নয়ন কাকে বলে”।

আরও পড়ুন- বাবুলের তৃণমূলে যোগ দেওয়া নিয়ে নির্বাক দিলীপ, বললেন, ‘যা বলার দিল্লি বলবে’

বাবুল সুপ্রিয়র সঙ্গে বিজেপি অন্যায় করেছে। বিজেপি বাংলার কথা ভাবে না। এমন অভিযোগও এদিন আনেন দেবাংশু। বলেন, “বাংলা থেকে যখন ২ জন সাংসদ ছিলেন, তখন বাবুল সুপ্রিয়কে প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছিল। ২০১৯ সালে বাংলা থেকে বিজেপি যখন ১৮ জন পেল, তখনও একজনকে পূর্ণমন্ত্রী করার আশা ভঙ্গ করে বাবুল সুপ্রিয়কে সেই আধা মন্ত্রী করেই রাখা হল। আর একুশের বিধানসভার পর তো তাঁকে মন্ত্রিসভা থেকেই সরিয়ে দেওয়া হল”।

দেবাংশুর কথায়, “এবার হয়ত কিছুদিনের মধ্যেই দেখবেন গুজরাটের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কলকাতায় এসে তৃণমূলে যোগ দিচ্ছেন। তবে আমি জানি না, ঠিক কি হতে হতে চলেছে। তবে প্রস্তুত থাকুন, বিরাট খেলা চলছে রাজনীতিতে”।

আরও অন্যান্য খবর