একুশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে গত বছর ২০২০ সালে সল্টলেকের ইজেডসিসি-তে প্রথমবার দুর্গাপুজোর আয়োজন করে রাজ্য বিজেপি। তবে নির্বাচনে হেরে যাওয়ার পর এবার সেই দুর্গাপুজো নিয়েইও টালবাহানা শুরু হয়েছে বিজেপির অন্দরে।
তবে এসবের মধ্যেই ফের বাঙালির আবেগকে উস্কে দিতে সকলকে মহালয়ার শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। টুইটে তিনি লেখেন, “শুভ মহালয়া! আমরা মা দুর্গার কাছে প্রণাম করি এবং আমাদের এই বিশ্বের মঙ্গল এবং নাগরিকদের কল্যাণের জন্য তাঁর আশীর্বাদ প্রার্থনা করছি। আগামী দিনে সবাই যাতে সুখী হওয়ার পাশাপাশি সুস্থ থাকতে পারে”।
Shubho Mahalaya!
We bow to Maa Durga and seek her blessings for the well-being of our planet and the welfare of our citizens. May everyone be happy as well as healthy in the times to come.
— Narendra Modi (@narendramodi) October 6, 2021
তবে দুর্গাপুজো নিয়ে নানান সংশয় থাকলেও, বিজেপির তরফে এবছরও পুজোর আয়োজন করা হয়েছে। তবে গত বছরের ন্যায় এই বছর সেই পুজোর জাঁকজমক থাকবে অনেকটাই কম। আড়ম্বরহীন পুজোই করতে চায় বিজেপি।
আসলে নানান সময় বিজেপির গায়ে অবাঙালি তকমা এঁটে দিয়েছে তৃণমূল। তাদের বারবার ‘বহিরাগত’ বলে দাবী করা হয়েছে। বলা হয়েছে, বিজেপি নাকি উত্তরপ্রদেশ, গুজরাত, বিহারের সংস্কৃতি বাংলায় কায়েম করতে চায়। এমন পরিস্থিতিতে দুর্গাপুজোর মাধ্যমে ফের বাঙালিদের মন জয় করতে উদ্যত বঙ্গ বিজেপি।
গত বেশ বড় করে দুর্গাপুজোর আয়োজন করে বিজেপি। ষষ্ঠীর সন্ধ্যায় পুরোদস্তুর বাঙালি সাজে ভারচুয়ালি সেই পুজোর উদ্বোধন করেছিলেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই পুজোর মূল উদ্যোক্তা ছিলেন কৈলাস বিজয়বর্গীয় ও মুকুল রায়। কিন্তু একুশের নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর কৈলাস বিজয়বর্গীয় সেভাবে কলকাতামুখো হন নি। আর এদিকে মুকুল রায়ও এখন তৃণমূলে।
এই পরিস্থিতিতে দুর্গাপুজো আদৌ হবে কী না, তা নিয়ে বেশ ধন্ধ দেখা দেয় বিজেপির অন্দরে। তবে পুজো না করলে আবার মানুষের কাছে ভুল বার্তা পৌঁছতে পারে। জনগণের মনে হতে পারে যে নির্বাচনে হেরে যাওয়ার কারণেই পুজো বন্ধ। এই কারণে সবদিক চিন্তা করেই পুজো বন্ধ না রাখারই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্ব।






