সাহিত্যের জগতের অন্যতম জনপ্রিয় লেখিকা তসলিমা নাসরিন। তার কলমে বার বার উঠে এসেছে নারীবাদী এক স্বত্ত্বা কথা। কিছুদিন আগেই বাংলাদেশের অভিনেত্রী পরীমনির গ্রেফতারি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া সরব হয়েছেন তিনি। এবার বাংলাদেশের হিংসার ঘটনায় প্রতিবাদ করায় ফেসবুক থেকে নির্বাসিত তসলিমা নাসরিন।
বাংলাদেশের হিংসা ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রত্যেকেই। প্রতিবেশী দেশে হিন্দুদের ওপর চরম আক্রমণ এমনকি দুর্গা পূজার দিন মন্দির ভেঙে দেওয়া হয়েছে। কার্যত তাণ্ডব চালায় দুষ্কৃতীরা।বিজয়া দশমীতে বাংলাদেশের ইসকন মন্দিরে হামলা চালানো হয়। রংপুরের পীরগঞ্জে ২৫টি বাড়িতে আগুন, ৯০টির বেশি বাড়িঘর লুটপাট এবং ভাঙচুর করা হয়। দুই বাংলার শিল্পীরা
ধিক্কার জানান গোটা ঘটনায়।
এই ঘটনার প্রতিবাদে ফেসবুক এ সরব হয়েছেন তসলিমা নাসরিন। গতকাল নিজের টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে তিনি ফেসবুক নিষ্ক্রিয় বিষয়টি জানান। পাশাপাশি তিনি আরো লেখেন “ফেসবুক আমায় নিষিদ্ধ করেছে কারণ আমি লিখেছিলাম, হিন্দুরা হনুমানের কোলের উপর কোরান রেখেছেন ভেবে কট্টরপন্থীরা বাংলাদেশি হিন্দুদের বাড়ি ও মন্দিরে ভাঙচুর করেছেন। কিন্তু যখন জানা গেল হিন্দুরা নন ইকবাল হোসেন এই কাজটি করেছেন, তখন আর কট্টরপন্থীদের কেউ ইকবালের বিরুদ্ধে কোনও মন্তব্য করেননি বা কোনও পদক্ষেপ নেননি।”
পাশাপাশি ভারতের মধ্যে ধর্ম নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশংসা শোনা যায় অভিনেত্রীর মুখে।তিনি লেখেন, “হিন্দুরা আজমের শরিফ দরগা, নিজামউদ্দিনের মতো জায়গায় প্রার্থনা করেন, সলমন খান গণেশ চতুর্থী পালন করেন, শাহরুখ খান সিদ্ধি বিনায়ক মন্দিরে প্রার্থনা করেন। এটাই ভারতবর্ষ।”





