পুরভোটে ‘সন্ত্রাস’ নিয়ে শাসকদলের বিরুদ্ধে বিজেপির মিছিলে পুলিশের বাধা, মহিলা কর্মীদের সঙ্গে ধ্বস্তাধস্তির অভিযোগ

পুরভোটে সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলেছিল বিজেপি-সহ সিপিএম, কংগ্রেস নানান বিরোধী দলগুলি। এই নিয়ে আজ বিজেপির সদর দফতরের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করে গেরুয়া শিবির। কিন্তু সেই মিছিলে বাধা দেয় পুলিশ। ব্যারিকেড দিয়েন আটকে দেওয়া হয় রাস্তা। সেই ব্যারিকেড ভেঙে এগিয়ে যাওয়ার সময় বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে ধ্বস্তাধস্তি হয় পুলিশের। সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ চত্বরে ধুন্ধুমার পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

তৃণমূলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের প্রতিবাদ জানিয়ে আজ, সোমবার মুরলীধর সেন লেনে বিজেপির সদর দফতরের সামনে জমায়েত করেন বিজেপি কর্মীরা। পুরভোটের প্রার্থীরাও এদিন ছিলেন। তবে যা সংখ্যক বিজেপি কর্মী এদিন বিক্ষোভ মিছিলে যোগ দেন, তার থেকে বেশি সংখ্যায় ছিল পুলিশকর্মী। এদিন বিজেপি কর্মীরা মিছিল করে এগোতে গেলেই ব্যারিকেড দিয়ে তাদের আটকায় পুলিশ।

এরপরই ব্যারিকেড ভেঙে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন বিজেপি কর্মীরা। কিছুক্ষণের মধ্যে তারা ব্যারিকেড ভেঙে ফেলেন। এরপর মিছিল সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ দিয়ে এগোতে গেলে পুলিশ তাঁদের আটক করে প্রিজম ভ্যানে তোলে।

অভিযোগ, মহিলা কর্মীদেরও চ্যাংদোলা করে প্রিজন ভ্যানে তোলা হয়েছে। এদিন পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধ্বস্তিতে দু’জন মহিলা বিজেপি কর্মী অসুস্থও হয়ে পড়েন বলে জানা যায়। তবে এদিন বিজেপির এই বিক্ষোভ কর্মসূচিতে দলের কোনও নেতাদের দেখা যায়নি।

এদিনের এই মিছিল প্রসঙ্গে পুলিশের তরফে জানায় যে বিজেপির মিছিলের কোনও অনুমোদন ছিল না। এই কারণেই বিজেপি কর্মীদের আটক করে প্রিজন ভ্যানে তোলা হয়। এই ঘটনা প্রসঙ্গে বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার জানান, “এই রাজ্যে গণতন্ত্র বলে কিছু নেই। না হলে এভাবে মিছিল কেউ অবরুদ্ধ করে। আমরা চুপ করে বসে থাকব না। গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনার জন্য আমরা যা যা করার দরকার, তা করব”।

আরও অন্যান্য খবর