৫ কোটি টাকার জমি জোর করে বেদখল করার অভিযোগ তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে, কোনও পদক্ষেপ নিচ্ছে না প্রশাসনও

পাঁচ কোটি টাকার জমি বেদখল করে নেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। এই নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে শিলিগুড়ি মহকুমার গোঁসাইপুরে। অভিযোগ, গোঁসাইপুরে এশিয়ান হাইওয়ের ধারে লস্ক নদীর ধারে থাকা সরকারি জমিই হাতিয়ে নিয়েছে শাসকদলের নেতা শ্যামল ঘোষ। খোদ তৃণমূল চেয়ারম্যান অলোক চক্রবর্তী জেলাশাসকের কাছে এমন অভিযোগ জানিয়েছেন।

জানা গিয়েছে, এই জমির একাধারে রয়েছে উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় আর অন্যদিকে রয়েছে বেসরকারি টাউনশিপ। এর মাঝখান দিয়ে বয়ে গিয়েছে লস্ক নদী। এখানেই এশিয়ান হাইওয়ের ধারেই প্রায় একবিঘা সরকারি জমি হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এই জমির বাজারদর কয়েক কোটি টাকা।

এই ঘটনা প্রসঙ্গে জেলা তৃণমূল চেয়ারম্যান অলোক চক্রবর্তী বলেন, “কে কোন দলে আছে সেটা বিষয় নয়। সরকারি জমি হাতিয়ে যারা কোটি কোটি টাকায় কেনাবেচা করছে, তাদের বিরুদ্ধে সরকার ব্যবস্থা নেবে, এটাই মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ। এই জমি সরকারি হিসেবে নদী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত। আমার অভিযোগের ভিত্তিতেই ভূমি রাজস্ব দফতর এলাকায় তদন্ত চালিয়ে আমায় জানিয়েছে যে এই জমি সরকারি জমি ও নদী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত। এবার ওই দখলদারের বিরুদ্ধে সরকারই ব্যবস্থা নিক”।

এই ঘটনা নিয়ে শাসকদলকে তোপ দেগেছে বিরোধীরা। প্রাক্তন বিধায়ক তথা জেলা কংগ্রেস সভাপতি শঙ্কর মালাকার বলেন, “চুনোপুঁটিদের ধরে সরকার রাঘববোয়ালদের আড়াল করতে চাইছে। সবাই জানে এরা শাসকদলের নেতা। তাই কেউ কিছু বলে না। আমি আসল রাঘববোয়ালদের তালিকা বিধায়ক থাকার সময় মুখ্যমন্ত্রীকে দিয়েছিলাম। কিন্তু কিছুই হয়নি”। এই ঘটনা সামনে আসতেই শাসকদলের মধ্যে অস্বস্তি দেখা দিয়েছে।

RELATED Articles