তারা রোজ স্কুলে যায়। কিছুক্ষন গল্পগুজব করে বাড়ি চলে যায়। ক্লাস রুম থাকে তালা বন্ধ। এভাবে মাসের পর মাস কাটছে স্কুলের বাচ্চাগুলোর। সংবাদ মাধ্যমের কাছে কাতর আবেদন ‘আমাদের মাস্টারমশাই চাই।’
জলপাইগুড়ি জেলার রাজগঞ্জের আমের বাড়ি পানাসগুড়ি জুনিয়র হাইস্কুলের ঘটনা এটি। ২০১৭ সালে সর্বশিক্ষা মিশনের অর্থানুকূল্যে তৈরি হয়েছিল এই স্কুল। স্কুল শুরুর সময় ছিলেন একজন অতিথি শিক্ষক। প্রায় ছয় মাস ধরে আগে তিনি অবসর নিয়েছেন। তারপর থেকে স্কুলে শিক্ষক নেই।
এই প্রসঙ্গে স্কুলের ডিআই বালিকা গোলে দাবি করেছেন, এতদিন করোনা এবং গরমের ছুটির জন্য স্কুল বন্ধ ছিল। স্কুল খোলার পর বিষয়টি নজরে এসেছে। খুব দ্রুত একজন শিক্ষককে ওই স্কুলে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে।
তবে দিনের পর দিন পড়াশোনা না হওয়াই চিন্তিত তাদের অভিভাবকরা। যত দ্রুত সম্ভব সমস্যার সমাধান চাইছেন তাঁরা।






