আজ, মঙ্গলবার বিজেপির নবান্ন অভিযান (Nabanna Abhiyan)। এদিন সকাল থেকেই নানান জেলা থেকে আসতে শুরু করেছেন বিজেপি (BJP) কর্মী-সমর্থকরা। হাওড়া স্টেশনে দেখা মিলেছে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar)। অন্যদিকে শিয়ালদহ স্টেশনে রয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)।
এদিন বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের উৎসাহিত করার জন্য সকাল থেকেই মাঠে নেমে পড়েছেন সুকান্ত-দিলীপরা। এদিন শিয়ালদহ স্টেশন চত্বরে বিজেপি একটি মঞ্চ তৈরি করেছে। সেই মঞ্চে দাঁড়িয়েই দিলীপ ঘোষ বলেন যে তাদের এই অভিযান কোনওভাবেই রোখা যাবে না। তিনি বলেন, “পুলিশ যেখানে আমাদের আটকাবে, সেখানেই আমরা বসে পড়ব”।
এদিন মঞ্চে উঠে দিলীপ ঘোষ বলেন, “যেভাবে বাধা বিঘ্ন উপেক্ষা করে সকলে এসেছেন, ধন্যবাদ জানাই। গতকাল বিকেল থেকেই পুলিশ জেলায় জেলায় আমাদের কর্মীদের আটকানোর চেষ্টা করেছে। কিন্তু আমাদের বিধায়করা এগিয়ে এসেছেন। বাধা অতিক্রম করে কলকাতায় এসেছেন। এত মানুষ এসেছেন তাঁদের সঙ্গে”।
দিলীপ ঘোষ জানান যে কেন্দ্রের সঙ্গে কথা বলে টাকা খরচা করে ট্রেনের টিকিট কেটেছেন তারা। কিন্তু টিকিট বুক করা সত্ত্বেও বিজেপি কর্মীদের পুলিশ ট্রেনে উঠতে দেয়নি বলে অভিযোগ করেন দিলীপ ঘোষ। তিনি জানান যে বহু লোক বাড়ি ফিরে যেতে বাধ্য হয়েছেন। অনেক গাড়ি আটকে দেওয়া হয়েছে রাস্তায়। অনেক বিজেপি কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানান বিজেপি সাংসদ।
তবে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার যেমন বলেছেন যে যতই ঝড়ঝাপটা আসুক, যতই প্রতিবন্ধকতা আসুক না কেন, মঙ্গলবারের এই নবান্ন অভিযান হবেই, তেমনই তাঁর মতোই আশাবাদী দিলীপ ঘোষও। তিনিও জোর গলায় বলেন যে এই অভিযান সফল করতে সবরকম চেষ্টা করবে বিজেপি।
দিলীপবাবুর কথায়, “জেলায় জেলায় এই অভিযানের প্রস্তুতি মিটিংয়ে গিয়ে মানুষের সাড়া পেয়েছেন। ৩৯টি সাংগঠনিক জেলা থেকে ৪ হাজার করে মানুষ এলেও হিসাব মিলে যাবে”।





