আজ, মঙ্গলবার বিজেপির নবান্ন অভিযান (Nabanna Abhiyan)। এই কর্মসূচিতে অনুমতি দেয়নি পুলিশ। কিন্তু তাও কর্মসূচি থেকে সরে আসতে নারাজ বিজেপি (BJP)। একদিকে যখন বিজেপি নবান্ন অভিযানের জন্য আটঘাট বাঁধছে, ঠিক সেই সময়ই কলকাতা ছাড়লেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। চারদিনের মেদিনীপুর সফরে গেলেন মমতা।
গতকাল, সোমবার নেতাজি ইন্ডোরের সভার পরই খড়গপুরের উদ্দেশে রওনা দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাতেও সেখানেই ছিলেন তিনি। খড়গপুর ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদের সঙ্গে বৈঠক রয়েছে তাঁর। মেদিনীপুরে আরও নানান কর্মসূচি রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর। আগামী বৃহস্পতিবার শহরে ফিরবেন তিনি।
২০২০ সালের পর আবার ২০২২ সালে নবান্ন অভিযান করছে গেরুয়া শিবির। তিনদিক থেকে এই অভিযান শুরু হবে। একদিকে সাঁতরাগাছি থেকে মিছিলে নেতৃত্ব দেবেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। হাওড়া ময়দান থেকে মিছিল নিয়ে এগোবেন দলের রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। অন্যদিকে, কলেক স্কোয়ার থেকে মিছিল নিয়ে যাত্রা শুরু করবেন দিলীপ ঘোষ। পুলিশের অনুমতি না থাকলেও এই অভিযানকে সফল করতে বদ্ধ পরিকর গেরুয়া শিবির।
বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, “গোটা মন্ত্রিসভা চুরির দায়ে দোষী সাব্যস্ত হওয়া শুধুমাত্র সময়ের অপেক্ষা। সেই চোরেদের কাছ থেকে আবার অনুমতি নেওয়ার কী দরকার আছে”? আবার, বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, “দেখা যাক কাল ঠিক কী হয়। আমরা সবকিছুর জন্যই প্রস্তুত রয়েছি। অ্যারেস্ট করে, জলকামান দিয়ে, গুলি চালিয়ে, লাঠি চালিয়ে আমাদের থামানো যাবে না”।
শহর যখন এই অভিযানকে ঘিরে উত্তাল সেই সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই শহরছাড়া। গতকাল রাতেই তিনি পৌঁছন খড়গপুরে। সেখানে গাড়ি থামিয়ে খড়গপুর পুরসভার চেয়ারম্যান প্রদীপ সরকারের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।
আগামীকাল, খড়গপুরের ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কেই পূর্ব মেদিনীপুরের জেলা পরিষদের সদস্যদের সঙ্গে বৈঠক রয়েছে তাঁর। এরপর বৃহস্পতিবার পূর্ব মেদিনীপুরের নিমতৌড়িতে প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দেবেন মুখ্যমন্ত্রী। সেদিন আবার খড়গপুরে ফিরে যাবেন মমতা। ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কে ‘জব ফেয়ার’ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন তিনি। এরপর সেখান থেকেই কলকাতা ফিরে আসবেন।





