চাকরিতে নিয়োগের দাবী নিয়ে এখন রাজ্যে নানান প্রান্তে চলছে আন্দোলন। নিয়োগ দুর্নীতি থেকে শুরু করে চাকরিতে বেনিয়ম , নানান ইস্যু নিয়ে এখন রাজ্য-রাজনীতি উত্তাল। ধর্না, অবস্থান বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন চাকরিপ্রার্থীরা। পর্ষদ নতুন করে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি করলেও আন্দোলনের আঁচ কমেনি। এহেন অবস্থায় এবার এই নিয়োগ ইস্যু নিয়ে মুখ খুললেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু।
এদিন এক সাক্ষাৎকারে ব্রাত্য বসু বলেন, “চাকরি হয় যোগ্যতা ও মেধার ভিত্তিতে। আন্দোলন মামলা দিয়ে নিয়োগ প্রক্রিয়া ব্যাহত হলে তা নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। আন্দোলন করলেই কী সবাইকে চাকরি দিতে হবে? এটা সম্ভব নয়। চাকরির সঙ্গে আন্দোলনের কোনও সম্পর্ক নেই”।
এরপরই তিনি প্রশ্ন তোলেন, “নেট পাস করে কি সবাই চাকরি পান? জয়েন্ট পাস করে কি সবাই ইঞ্জিনিয়ারিং সুযোগ পায়? এভাবে আন্দোলন চললে সরকারের কাজ করা মুশকিল হয়ে যায়। বিরোধীরা চান না অধিকাংশরা চাকরি পাক”।
কিছুদিন আগেই করুণাময়ীতে প্রাথমিক পর্ষদ ভবনের সামনে অবস্থান বিক্ষোভে বসেছিলেন ২০১৪ সালে টেট উত্তীর্ণ নন-ইনক্লুডেড চাকরিপ্রার্থীরা। আমরণ অনশনের ডাক দিয়েছিলেন তারা। চাকরি না দিলে তারা আন্দোলন ত্যাগ করবেন না বলে দাবী তোলেন।
তবে চারদিন ব্যাপী চলা এই এই আন্দোলনের আন্দোলনকারীদের মাত্র ১৫ মিনিটে সেখান থেকে টেনে হিঁচড়ে তুলে দেয় কলকাতা পুলিশ। সেই নিয়েও রাজ্যের নানান প্রান্তে প্রতিবাদ দেখানো হয়। তবে পর্ষদের তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয় যে আন্দোলনকারীদের দাবী কোনওভাবেই মানা সম্ভব নয়। সকলকে নিয়ম মেনে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে হবে বলে জানানো হয়।





