অশরীরীর উপস্থিতি টের পান এই রাশির জাতক-জাতিকারা, হ্যালোউইনের রাতে চিনে নিন সেই ব্যক্তিদের

কালীপুজোর আগের রাতে হিন্দু বাঙালিরা পালন করেন ভূত চতুর্দশী। ঠিক তেমনই প্রয়াত পূর্বপুরুষদের ইহলোকে স্বাগত জানিয়ে পশ্চিমী দেশগুলিতেও পালন করা হয় একটা উৎসব। ৩১শে অক্টোবর আত্মাদের উদ্দেশে পালন হওয়া এই উৎসবের নাম হ্যালোইন অথবা হ্যালোউইন। এই শব্দের উৎপত্তি ১৭৪৫ সালের দিকে। এই শব্দটি এসেছে স্কটিশ শব্দ ‘অল হ্যালোজ’ ইভ থেকে। এখন তো আমাদের দেশেও নানান জায়গায় হ্যালোউইন পালন করা হয়।

জানা যায়, প্রায় দু’হাজার বছর আগে আয়ারল্যান্ড, ইংল্যান্ড ও উত্তর ফ্রান্সে বসবাসকারী কেল্টিক জাতি নভেম্বরের প্রথম দিনটি তাদের নববর্ষ হিসাবে পালন হতো। এই দিনটিকে তারা গ্রীষ্মের শেষ ও অন্ধকার বা শীতের শুরু এবং সবচেয়ে খারাপ রাত বলে মনে করত। তাঁরা বিশ্বাস করতেন অক্টোবরের শেষ রাতে সমস্ত অতৃপ্ত আত্মা ফিরে আসে। ওই দিন উড়ন্ত ঝাড়ুতে করে হ্যালোইন ডাইনি সারা নাকি উড়ে বেড়ায় আকাশ জুড়ে। কখনওবা ডাইনি বুড়ি কড়া নাড়ে কোনও বাড়ির দরজায়।

জেনে নিন কোন কোন রাশির জাতক-জাতিকারা অশরীরীর উপস্থিতি টের পান-

সিংহ রাশি

সিংহ রাশির জাতকরা সাধারণত বেশ সাহসী হন। বিপদের মধ্যে এগিয়ে যেতেও এঁরা দু-বার ভাবেন না। কিন্তু অশরীরীর উপস্থিতিতিতে সিংহ রাশির জাতকরা রীতিমত বিশ্বাসী হন। শুধু তাই নয়, এঁরা ব্ল্যাক ম্যাজিক বা কালা জাদুতে বিশ্বাস করেন। এই সব বিষয়ের সঙ্গে অনেক সময় যুক্ত হয়ে পড়েন সিংহ রাশির জাতকরা। অজানাকে জানার আগ্রহ থেকেই এই সব বিষয়ে উত্‍সাহী হয়ে ওঠেন সিংহের জাতকরা। কোথাও অশরীরীর অস্তিত্ব থাকলে তা এরা অনুমান করতে পারেন বলে দাবী করেন সিংহ রাশির জাতকরা।

মিথুন রাশি

ভূতের উপস্থিতিতে সাধারণত প্রবল বিশ্বাসী হন মিথুন রাশির জাতকরা। এমনকি অনেক সময় ভূত দেখেছেন এবং ভূতের অস্তিত্ব অনুভব করেছেন বলেও দাবী করেন এঁরা। ভূত সংক্রান্ত অনেক অভিজ্ঞতা আছে বলেও জোর গলায় দাবি করেন মিথুনের জাতকরা। মিথুন রাশির জাতকরা রহস্যে ঘেরা অলৌকিক কর্মকাণ্ডে বিশ্বাস করেন। ভূত সম্পর্কে নানা তথ্য সংগ্রহ করতেও পছন্দ করেন এঁরা।

কুম্ভ রাশি

সব বিষয়ে কৌতুহল রয়েছে কুম্ভ রাশির জাতকদের। অজানাকে জানার একটা তীব্র আগ্রহ এঁদের মধ্যে কাজ করে। সেই কারণেই ভূত প্রেতের মতো বিষয়ে অনেক সময় আগ্রহী হয়ে ওঠেন এঁরা। ভূতের গল্প পড়তে কুম্ভ রাশির জাতকরা অত্যন্ত পছন্দ করেন। ভূতের গল্প পেলে তার মধ্যে সারাদিন ডুবে থাকতে পারেন এঁরা। ভূত প্রেতে বিশ্বাসী হলেও খুব একটা ভূতের ভয় থাকে না এঁদের। তবে এরা নিজেদের আশপাশে একটা অলৌকিকতার অস্তিত্ব অনুভব করতে পারেন অনেক সময়।

তুলা রাশি

অশরীরী আত্মা, ভূত, প্রেত, ডাকিনী-র মতো আদিভৌতিক বিষয়ে অনেক সময় আগ্রহী হন তুলা রাশির জাতকরা। মৃত্যুতেই যে সব কিছু ফুরিয়ে যায় না, তা মনে করেন এঁরা। সেই কারণে মৃত্যুর পরের অবস্থা সম্পর্কে এঁরা জানতে আগ্রহী। প্ল্যানচেট বা মৃত ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনের চেষ্টাও অনেক সময় তুলার জাতকরা করে থাকেন। এমনকি অনেক সময় এরা ভূতের দেখা পেয়েছেন বলেও দাবি করেন।

RELATED Articles