গরু পাচারের টাকা আইপিএলে? ‘ওর কথাতেই কালো টাকা সাদা করেছি, এবার নিজের হিসাবরক্ষক মণীশের ঘাড়ে দোষ চাপালেন কেষ্ট

দিল্লিতে ইডি-র দফতরে দাবী-পাল্টা দাবী চলছেই। দেহরক্ষী সায়গল হোসেনের পর এবার হিসাবরক্ষক মণীশ কোঠারির পালা। জেরার মুখে এবার সমস্ত দোষ মণীশের ঘাড়ে চাপালেন বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। তাঁর দাবী, মণীশের কথাতেই তিনি সাদা টাকা কালো করেছেন। অন্যদিকে, মণীশ আবার একই পাল্টা দাবী করেন।

ইডি আগেই জানিয়েছিল যে গরু পাচারের টাকা নানান ক্ষেত্রে বিনিয়োগ করা হয়েছে। সূত্রের দাবী, সেই টাকা আইপিএলে ঢালা হয়েছিল। এই সম্পর্কে অনুব্রতকে প্রশ্ন করেন তদন্তকারী আধিকারিকরা।

সেই প্রশ্নের উত্তরে বীরভূমের তৃণমূল সভাপতি বলেন, “মণীশ আমাকে যেভাবে কালো টাকা সাদা করতে বলেছে, আমি করেছি”। বলে রাখা ভালো, এর আগে অনুব্রত দাবী করেছিলেন যে তিনি কিছু জানেন না। যা করার সব দেহরক্ষী সায়গল হোসেন করেছেন। এবার নিজের হিসাবরক্ষকের ঘাড়ে দোষ চাপাচ্ছেন তিনি।

যদিও কেষ্টর চাপানো দায় নিতে রাজি নন তাঁর হিসাবরক্ষক। মণীশ পালটা দাবী করে বলেন, “উনি কারও কথা শুনতেন না। নিজের যা মনে হত করতেন”।

ইডি-র হাতে গ্রেফতার হওয়ার পর আপাতত ৬ দিনের হেফাজতে রয়েছেন মণীশ কোঠারি। এই কয়েকদিনে তাঁর কাছ থেকে পাচার সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বের করে নেওয়ার চেষ্টা করবেন তদন্তকারীরা। আদালতের নির্দেশ মেনে জেরার সময় উপস্থিত থাকতে পারবেন মণীশের আইনজীবীরা।

নিয়ম মেনে প্রতিদিন তাঁর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য আধ ঘণ্টা করে সময়ও বরাদ্দ করা হয়েছে। নিয়ম মেনে মণীশের সঙ্গে দেখা করতে আসেন তাঁর আইনজীবী সঞ্জীব দাঁ। কথা বলেন দু’জনে। আইনজীবীর হাতে মোবাইল, মানিব্যাগ ও ঘড়ি পাঠিয়ে দেন বাড়ির লোকজনকে দিয়ে দেওয়ার জন্য।

আরও অন্যান্য খবর