বগটুই হত্যাকাণ্ডের স্বজনহারাদের নিজেদের দিকে টানবে কে? বিজেপি না তৃণমূল? অভিশপ্ত ঘটনার বর্ষপূর্তিতেও লাগল রাজনীতির রঙ

বগটুই হত্যাকাণ্ডের ঘটনার বর্ষপূর্তিতেও সেই রাজনীতির রঙ লাগল। এই ঘটনার স্বজনহারাদের কারা নিজেদের দিকে টানবে, তা নিয়ে কার্যত রেষারেষি তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে। দুই দলের তরফেই আয়োজন করা হল আলাদা আলাদা অনুষ্ঠানের।

২০২২ সালের ২১শে মার্চ দিনটি শুধুমাত্র রামপুরহাটের বগটুই গ্রামের জন্যই নয়, গোটা রাজ্যের জন্য এক অভিশপ্ত দিন। ওইদিন রাতে আগুনে পুড়ে ছাই হয়েছিল ওই গ্রামের একাধিক বাড়ি। আর সেই বাড়ির সঙ্গে পুড়ে গিয়েছিল ১০ জনের শরীরও। সেই ঘটনার ক্ষত মৃতদের পরিবারের কাছে এখনও দগদগে।

সেই ঘটনার এক বছর পেরিয়ে গিয়েছে। স্বজনহারা মিহিলাল শেখের বাড়ির দেওয়ালে শহিদ বেদি তৈরি করেছে বিজেপি। আবার এর ঠিক উল্টোদিকেই আরেক শহিদ বেদি তৈরি করা হয়েছে তৃণমূলের তরফে। এই নিয়ে বগটুই কাণ্ডের বর্ষপূর্তিতেও লেগেছে রাজনীতির রঙ।

আজ, মঙ্গলবার সকাল ১১টা নাগাদ স্বজনহারা মিহিলাল শেখের বাড়ি যান তৃণমূল বিধায়ক আশিষ বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু সেখানে তাঁকে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি বলে জানা গিয়েছে। যদিও পরে স্থানীয়দের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝি মেটান বিধায়ক। স্বজনহারাদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

স্বজনহারা মিহিলাল শেখ এদিন পাথরচাপড়িতে মাজারে যান। সেখানে চাদর চড়ান তিনি। এদিন তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিজেপির জেলা সভাপতি ধ্রুব সাহা। সেখান থেকেই বিজেপি নেতা দাবী করেন যে মিহিলাল তাদের সঙ্গে রয়েছেন। এও জানান, বিজেপির শহীদ তপর্নেও মিহিলাল তাদের সঙ্গেই থাকবে।

মিহিলালের বলেন, “আমি রাজনীতি করতে আসিনি। একবছর আগে আমার মা-স্ত্রী-কন্যা মারা গিয়েছে। তাঁদেক জন্য প্রার্থনা করতে এসেছি”। শুধু তাই-ই নয়, শাসকদলের বিরুদ্ধে এদিন উষ্মা প্রকাশ করেন মিহিলাল। তাঁর অভিযোগ, “এই গত একবছরে তৃণমূল আমাদের কোনওরকম সহযোগিতা করেনি”।

আরও অন্যান্য খবর