- Home
- West Bengal
- কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়ে রায়গঞ্জে বিক্ষোভ ভোটারদের। পুলিশের সঙ্গে বচসা।
রাত পোতালেই ভোটের দামামা বেজে উঠবে জলপাইগুড়ি, দার্জিলিং এবং রায়গঞ্জের ভোট গ্রহণ কেন্দ্রগুলোতে। তার আগে কেমন পরিস্থিতি রায়গঞ্জের ভোট গ্রহণ এলাকায়? আসুন জেনে নেওয়া যাক৷
ইতিমধ্যেই রাজ্যে প্রথম দফার ভোট শেষ হয়েছে কোচবিহার এবং আলিপুরদুয়ারে। ভোটের পূর্বে এই দুই জেলাতে দেখা গিয়েছিল কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়ে ভোট কর্মীদের বিক্ষোভ। এবারে দ্বিতীয় দফার ভোটের আগেও চিত্র তেমনটা বদলানি৷ জলপাইগুড়ি, দার্জিলিং এবং রায়গঞ্জের অনেক ভোট গ্রহণ কেন্দ্রেই দেওয়া হয়নি কেন্দ্রীয় বাহিনী। আর এই নিয়েই দেখা যায় ফের বিক্ষোভ। তবে রায়গঞ্জের চিত্রটা কিছুটা ভিন্ন৷
রাজ্যে বিভিন্ন স্থানে কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়ে যেখানে বিক্ষোভ করছেন ভোট কর্মীরা, সেখানে রায়গঞ্জে দেখা গেলো ভোটারদের বিক্ষোভ৷ রায়গঞ্জ জেলার একটি গ্রামে সকাল থেকেই গ্রামবাসীরা কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়ে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। এদিন যথা সময়েই সেই গ্রামের এক প্রাইমারি স্কুলে ভোট গ্রহণ করতে পৌঁছান ভোট কর্মীরা। কিন্তু সেসময় তাদের সঙ্গে রাজ্য পুলিশ দেখে তাদের আর ভোট গ্রহণ কেন্দ্রে প্রবেশই করতে দেননি গ্রামবাসীরা৷
গ্রামবাসীদের বক্তব্য যে তারা তাদের বাসস্থানের নিকট কোনো অশান্তি চাননা, তাই নিরাপত্তা জনিত কারণে এবং শান্তিপূর্ণ ভোটের উদ্দেশ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবী জানান তারা ৷ আর এই কেন্দ্রীয় বাহিনী যদি না দেওয়া হয় তবে তাদের এই বুথে ভোট গ্রহণ করতে দেবেননা ভোটাররা৷ পরিস্থিতি সামাল দিতে এরপর সেখানে পুলিশের উচ্চ আধিকারিকেরা পৌঁছালেও অবস্থার কিছুই পরিবর্তন হয়নি। উল্টে গ্রামবাসীদের সঙ্গে বচসা চলে তাদের৷ এই পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে দু জন কেন্দ্রীয় বাহিনীর সেনা এলেও তারা যে ভোট গ্রহণ কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করতে আসেনি তা বুঝে ক্ষোভে আরও ফেটে পরেন গ্রামবাসীরা৷ এখন দেখার বিষয় এটিই যে কাল কতোটা শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোট শেষ হয় রায়গঞ্জ সহ জলপাইগুড়ি এবং দার্জিলিং-এ৷
Khabor24x7
আমি শুভ, সঠিক খবর পরিবেশনের ইচ্ছায় হঠাৎই এই নিউজ পোর্টালটি শুরু করি। ধীরে ধীরে এরপর নিউজ পোর্টালটিতে আরও একাধিক ব্যাক্তি যুক্ত হন। এখন আমি নিউজ পোর্টালটির পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছি। এছাড়াও বিনোদন, কর্মক্ষেত্র, এবং অফবিট বিভাগে লিখতে পছন্দ করি।
Email - [email protected]
আরও পড়ুনআরও অন্যান্য খবর