জোর করে কংগ্রেস প্রার্থীকে তৃণমূলে যোগ দিতে বাধ্য, হাতে তুলে দেওয়া হল পতাকা, এরপরই নিখোঁজ প্রার্থী

কংগ্রেস প্রার্থীকে জোর করে তাঁর হাতে তুলে দেওয়া হল তৃণমূলের পতাকা। এমনই অভিযোগ উঠে এল মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জ থেকে। কংগ্রেস প্রার্থীকে জোর করে তৃণমূলে যোগদান করানো হয়েছে বলে অভিযোগ। এমনকি, ওই প্রার্থীকে অপহরণের অভিযোগও করা হয়েছে। এই নিয়ে ঝামেলা শুরু হতেই বিশাল পুলিশ বাহিনী পৌঁছয় ঘটনাস্থলে। পুলিশের গাড়ি আটকে রেখে বিক্ষোভ দেখান কংগ্রেস কর্মীরা।  

সূত্রের খবর, গতকাল, রবিবার বিকেলে বিধায়ক আমিরুল ইসলামের হাত থেকে তৃণমূলের পতাকা তুলে নেন মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জের অদ্বৈতনগরের কংগ্রেসের গ্রামসভার প্রার্থী আব্দুল মামুদ। যদিও কংগ্রেসের অভিযোগ, জোর করে কংগ্রেস প্রার্থীকে তৃণমূলের পতাকা ধরানো হয়েছে। এ নিয়ে শুরু হয় তরজা।

এই বিষয়ে কংগ্রেস নেতা আব্দুল খালেকের দাবী, “আমাদের আজ ঘোষিত কর্মসূচি ছিল। জেলা পরিষদের প্রার্থীকে নিয়ে অদ্বৈতনগরে বাড়ি বাড়ি প্রচারের কথা ছিল আমাদের। এরপর বিকেলে একটা মিছিলও ছিল। আমাদের প্রার্থীকে প্রচার করতে দেয়নি। ১৬৩ নম্বর বুথের প্রার্থীর বাড়িতে গিয়ে হেনস্থা করে। ভয় দেখিয়ে ওকে তৃণমূলের পতাকা ধরায়। পতাকা না ধরলে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। প্রার্থী মামুদের বাবা কান্নাকাটি করেন। তারপরও ছেলেটাকে উঠিয়ে যায়। বিধায়ক সব জানেন”।

অন্য এক কংগ্রেস কর্মী সাবির জানান,”বাড়ি বাড়ি প্রচার করার কথা ছিল। তৃণমূলের লোকজন এসে জোর করে তুলে নিয়ে গিয়েছে আমাদের প্রার্থীকে। তোয়াব আলিকে জোর করে তৃণমূলের পতাকা ধরিয়েছে। আব্দুল মামুদের সঙ্গেও তাই করেছে। আমাদের লোকেরা বলে, যদি তোমরা ভালই হও তাহলে কেন এভাবে ভোট আদায়ের চেষ্টা করছে”।

এই ঘটনা প্রসঙ্গে সামশেরগঞ্জের বিধায়ক আমিরুল ইসলাম বলেন, “অপহরণ করা হলে বা জোর করে কিছু হলে তা তার পরিবারের লোকজন বলুক। কংগ্রেসের অভিযোগ শুনে কিছু বললে চলবে না”।

আরও অন্যান্য খবর