শুক্রবার দুপুরে ডুয়ার্সের চামুর্চি নদীর আশপাশে নিয়মমাফিক অভিযানে যান ধুপগুড়ির বিডিও শঙ্খদীপ দাস ও বিএলআরও প্রসেনজিৎ ভট্টাচার্য এবং কিছু পুলিশকর্মী। বিডিও-রা দেখেন, পারমিট ছাড়াই লরিতে বালি বোঝাই হচ্ছে। এরপর এই বেআইনি কাজের বিরুদ্ধে তারা জরিমানা করেন। এই কাজে সরকারি অফিসারদের বাধা দেন স্থানীয় তৃণমূল নেতা কায়েশ। তিনি ক্রমাগত তর্ক করতে থাকেন। বিডিও-র গায়ে হাত রেখে কথাও বলেন। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
বিডিও বানারহাট থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন অভিযুক্ত তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। জলপাইগুড়ির পুলিশ সুপার অভিষেক মোদী জানান, অভিযোগ দায়ের হয়েছে। যথাসময়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জলপাইগুড়ি জেলা তৃণমূল-এর কো-অর্ডিনেটর চন্দন ভৌমিক বলেন, দোষীদের কাউকে ছাড়া হবে না। দল যথাযথ ব্যবস্থা নেবে।
এরপরেও প্রশ্ন রয়েই যায় একজন সরকারি অধিকারিককে যদি সমাজে রাজনীতির গদিতে বসা একজন ব্যক্তি এইভাবে অপমান করেন তাহলে সাধারণ মানুষের চোখে সরকারের সম্মান কতটুকু থাকবে এবং তারা এইসব নেতাদের ভয় সন্ত্রস্ত থাকবে না কেনো?






‘ভগবান শুধু আশা দেন, কাজ কিছুই করেন না!’ ঈশ্বরকে নিয়ে বিস্ফো’রক জাভেদ আখতার