অন্ধকার নামলেই এলাকাবাসীদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ। অনেক প্রতিবাদ করা সত্ত্বেও কোনও লাভ হয়নি। সেই কারণে এবার হোস্টেলের ভিতর ঢুকে পড়ুয়াদের মারধর জনতার। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করে স্থানীয়দের দাবী, কলেজের প্রুয়ারাই প্রথমে ইট ছোঁড়ে। ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার কল্যাণীর ভবানীপুর এলাকার এক ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ হোস্টেলে।
কী অভিযোগ স্থানীয়দের?
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিদিন সন্ধ্যে হলেই বয়েজ হোস্টেলের পড়ুয়ারা বাইরে বেরিয়ে তাণ্ডব শুরু করে। তাদের তাণ্ডবে এলাকায় মানুষ তিতিবিরক্ত। রাত হলেই ম’দের আসরের হুল্লোড় শুরু হয়। শুরু হয় অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করাও। অনেক বার সতর্ক করা হয়েছে, প্রতিবাদ করা হয়েছে কিন্তু কোনও লাভ হয়নি।
আজ, বুধবার সকালেও প্রতিবাদ করেন স্থানীয়রা কিন্তু তাদের কথায় পাত্তা দেয়নি পড়ুয়ারা, এমনটাই অভিযোগ। এরপরই হোস্টেলে ঢুকে মারধর শুরু করে উন্মত্ত জনতা। সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে দুই পক্ষই। হাতাহাতি শুরু হয়ে যায় তাদের মধ্যে।
পুলিশ খবর পেয়ে সেখানে পৌঁছলে পাল্টা পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়ে এলাকাবাসীরা। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠিচার্জ করে। পুলিশ একাধিক ব্যক্তিকে আটক করে। পুলিশের গাড়ির সামনে শুয়ে পড়েন স্থানীয়রা। এভাবেই প্রতিবাদ জানান তারা। পুলিশকে উদ্দেশ্য করে ঢিল ছোঁড়ার অভিযোগও উঠেছে স্থানীয়দের বিরুদ্ধে।
কী জানান কলেজের অধ্যাপক?
কলেজের অধ্যাপক অনিরুদ্ধ বিশ্বাস বলেন, “ছাত্রদের কাছ থেকে জানতে পেরেছি যে গেটের বাইরে ছাত্ররা নিজেদের মধ্যে কথা বলছিল। সেইসময়ই স্থানীয়রা অশান্তি শুরু করে”।
এমন ঝামেলার সূত্রপাত কী থেকে, তা এখনও জানতে পারে নি পুলিশ। তবে এই ঘটনার তদন্ত চলছে। এই বিষয়ে কল্যাণী শহর তৃণমূল সভাপতি বিপ্লব দে বলেন, “পরিস্থিতি আপাতত নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। পুলিশ তদন্ত করছ।






