সন্দেহের জেরেই স্ত্রীয়ের সঙ্গে তুমুল অশান্তি চলছিল। এই ঝামেলার মধ্যেই স্ত্রীয়ের গায়ে অ্যাসিড ছুঁড়ে মারলেন স্বামী। আর সেই অ্যাসিড হামলায় আক্রান্ত হন ওই ব্যক্তির স্ত্রী-সহ তার মেয়ে ও একরত্তি নাতিও। তিনজনেই ভর্তি হাসপাতালে। ঘটনার পর থেকেই পলাতক অভিযুক্ত ব্যক্তি।
ঠিক কী ঘটেছিল?
ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূমের রামপুরহাটের মাড়গ্রাম থানা এলাকায়। জানা গিয়েছে, স্বামী সন্দেহ করতেন যে তাঁর স্ত্রীর পরপুরুষের সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক রয়েছে। সেই নিয়েই মাঝেমধ্যেই তাদের মধ্যে অশান্তি লেগেই থাকত। এই অশান্তির জেরে স্বামীকে ছেড়ে বাপের বাড়ি চলে গিয়েছিলেন মহিলা। গতকাল, শনিবার ওই মহিলা তাঁর মেয়ের শ্বশুরবাড়ি যান দেখা করতে। খবর পেয়ে সেখানে হাজির হন অভিযুক্ত স্বামীও।
ফের সেখানে তাদের মধ্যে শুরু হয় ঝামেলা। সেই অশান্তি তীব্র আকার ধারণ করে। এরই মধ্যে বোতলে ভরা অ্যাসিড স্ত্রীয়ের দিকে ছুঁড়ে মারেন স্বামী। মহিলার মুখ, হাতে লেগে যায় অ্যাসিড। মহিলার পাশেই ছিলেন তাঁর মেয়ে ও একরত্তি নাতি। তাদের গায়েও অ্যাসিড লেগে যায়। স্থানীয়রা আক্রান্তদের রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানেই চিকিৎসা চলছে তাদের।
এদিকে, এই ঘটনা ঘটানোর পরই পালায় অভিযুক্ত স্বামী। এলাকার বাসিন্দারা জানাচ্ছেন যখন এই ঘটনা ঘটে সেই সময় অভিযুক্ত ম’দ্য’প অবস্থায় ছিলেন। ঘটনার পর থেকে তার আর কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। মাড়গ্রাম থানার পুলিশ অভিযুক্তর খোঁজ চালাচ্ছে বলে খবর।
কী জানান আক্রান্ত মহিলার মেয়ে?
এই ঘটনা প্রসঙ্গে আক্রান্ত মহিলার মেয়ে বলেন, “ওদের মধ্যে ঝামেলা চলছিল অনেকদিন থেকেই। এরইমধ্যে আমাদের বাড়িতে এসেছিল আমার মা। বাবা সেটা কোনওভাবে জানতে পারে বাবা সেখানে আসে। ফের ঝামেলা শুরু করে। কথা কাটাকাটি হয়। পকেটেই অ্যাসিডের বোতল নিয়ে এসেছিল। কিন্তু আমরা ভেবেছি ম’দের বোতল। সব সময় তো বাবার পকেটে ওটা থাকে। আচমকা কথা কাটাকাটির মধ্যে মায়ের গায়ে ওটা ঢেলে দিয়ে পালিয়ে যায়”।





