নিজের পুত্রবধূকে কুপ্রস্তাব দিতেন শ্বশুর। কিন্তু তাতে রাজি হন নি বধূ। এর জেরে পুত্রবধূকে খু’ন করার অভিযোগ উঠল শ্বশুরের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
কী ঘটেছে গোটা ঘটনাটি?
ঘটনাটি ঘটেছে মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুর থানার দক্ষিণ তালগ্রাম হাট এলাকায়। মৃত পুত্রবধূর নাম আদরি খাতুন। বয়স ২০ বছর। পুলিশ সূত্রে খবর, বছর দেড়েক আগে বিহারের আজমনগর থানার কুশল গ্রামের বাসিন্দা সাইদুর রহমানের মেয়ে আদরি খাতুনের সঙ্গে বিয়ে হয় হরিশ্চন্দ্রপুর থানার দক্ষিণ তালগ্ৰাম হাটের বাসিন্দা আবদুল মান্নানের ছেলে মহিদুর রহমানের। বিয়ের পর থেকেই ওই গৃহবধূকে পণের জন্য চাপ দেওয়া হত বলে অভিযোগ। মানসিক নির্যাতন চলত আদরির উপর। বাবার বাড়ি থেকে আসবাবপত্র, যৌতুক নিয়ে আসার জন্য চাপ দিত আদরির শ্বশুরবাড়ির লোকজন।
জানা গিয়েছে, কিছুমাস আগে আদরিকে বাড়িতে রেখে ভিনরাজ্যে কাজে যায় তাঁর পরিযায়ী শ্রমিক স্বামী। এরপরই আদরির উপর নেমে আসে বিপদ। আদরির উপর কুনজর পড়ে তাঁর শ্বশুরের। অভিযোগ, মাঝেমধ্যেই পুত্রবধূকে নানান কুপ্রস্তাব দিত ওই ব্যক্তি। দিনের পর দিন বাড়ছিল উত্যক্ত করার মাত্রা।
এরপর বাধ্য হয়ে আদরি এই বিষয়টি নিজের স্বামী ও বাপের বাড়ির লোকজনদের জানান। আর সেটাই তাঁর কাল হয়ে দাঁড়ায়। বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগ নিয়ে আদরিকে শ্বাসরোধ করে তাঁর শ্বশুর আবদুল মান্নান, এমনটাই অভিযোগ উঠেছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। মৃতদেহটি ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়। অভিযুক্ত শ্বশুরকে গ্রেফতার করা হয়েছে।






