আইনি জটের কারণে আটকে রয়েছে নিয়োগ। ১০০০ দিন ধরে রাস্তায় বসে নিজেদের হকের চাকরির জন্য আন্দোলন করছেন SLST চাকরিপ্রার্থীরা। আজ, সোমবার শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর সঙ্গে বৈঠক করেন SLST চাকরিপ্রার্থীদের প্রতিনিধি দল। এদিন দু’ঘণ্টা ধরে চলে বৈঠক।
কবে আদৌ হবে নিয়োগ?
এদিন বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে SLST চাকরিপ্রার্থীরা বলেন, “জানতে চাইলাম আমাদের নিয়োগ দেওয়ার বাধাটা কোথায়? আজ আলোচনায় দেখলাম বিভিন্ন দফতরের মধ্যে একটা মিসকমিউনিকেশন ছিল। ঠিকভাবে আইনি জটিলতা কাটানোর চেষ্টা ফলপ্রসূ হয়নি। মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন আইনি জটিলতা কাটিয়ে দ্রুততার সঙ্গে নিয়োগ দিতে হবে”।
চাকরিপ্রার্থীরা জানান, নবম-দশম এবং একাদশ-দ্বাদশের ৫ হাজার ৫৭৮ জনকেই নিয়োগ দেওয়া হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। তারা বলেন, “এই প্রক্রিয়া দ্রুততার সঙ্গে চালানোর সদিচ্ছা আমরা দেখেছি। আমরা জানতে চেয়েছিলাম কতদিনের মধ্যে আমরা নিয়োগ পাব? আগামী ১০ দিনের মধ্যেই কী হল তা জানানো হবে। ২২ তারিখ এখানেই আমাদের বৈঠক হবে”।
এদিন চাকরিপ্রার্থীদের প্রতিনিধি হয়ে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ কুণাল ঘোষ। বৈঠক শেষে তিনি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী চান, অভিষেক চান জটিলতা কাটুক। কিছু জটিল জায়গা রয়েছে। আইনের মাধ্যমে কাটাতে হবে। ওঁরা দাবী রাখছিলেন, সরকারের কিছু বাধ্যবাধকতা ছিল। আজকের বৈঠক ইতিবাচক, ফলপ্রসূ। আইনি জট কাটাতে সরকারের তরফে, এসএসসির তরফে যা যা ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। আশা করা যায় জটিলতা কাটবে। কোথাও না কোথাও ভুল হয়েছিল। তার জন্য জটিলতা। অনেক ছেলেমেয়েকে ভুগতে হয়েছে। সমস্ত দিক সামলে সমাধানের পথ বার করা হচ্ছে”।
কুণাল ঘোষের আবার কটাক্ষ, “অনেকেই চায়, ধরনা মঞ্চ থাকুক। জট পাকানোর জন্য কিছু শকুনি বসে থাকে। আমরা চাইছি চাকরি হোক। সকলে চাকরি পাক”।
এই বৈঠকের শেষে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী প্রথম থেকেই এই ছেলেমেয়েদের সঙ্গে ছিলেন। কিছু আইনি জটিলতা ছিল। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী আমরা নিয়োগ দেব বলেছিলাম। আশা করছি, এই জটিলতা, এই জট দ্রুত কাটিয়ে নিতে পারব। আমাদের দিক থেকে যা যা করণীয় করব। মহামান্য আদালত যেভাবে চাইবেন, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে নিয়োগ দিতে শুরু করব। সুপ্রিম কোর্টের তারিখ পাওয়া নিয়ে সমস্যা রয়েছে। আশা করছি, তারিখ পাব”।






