ঘর সাজানোর নানান জিনিসপত্রই আপনাদের জীবনে সুখ-শান্তি বয়ে নিয়ে আসতে। ভাবছেন তো এটা কীভাবে সম্ভব? এমনটা সম্ভব যদি আপনি ফেং শুইয়ের টোটকা মেনে চলেন। বাড়িতে ইতিবাচক শক্তির সঞ্চার বাড়াতে আমরা যেমন বাস্তুশাস্ত্র মেনে চলি। তেমনই চীনারা মেনে চলে ফেং শুই। মনে করা হয়, এই ফেং শুইয়ের টোটকা বাড়িকে পজিটিভ এনার্জিতে ভরিয়ে দিতে পারে, ভাগ্য বদল করতে পারে।
ফেং শুইয়ের মতে এমন কিছু জিনিস আপনি যদি বাড়িতে রাখেন, তাহলে নতুন বছরে আপনার জীবন সুখ-সমৃদ্ধিতে ভরে উঠবে।
কচ্ছপ– আর্থিক অবস্থার উন্নতি ঘটাতে আপনি ঘরে কচ্ছপ রাখতে পারেন। ফেং শুইয়ের মতে কচ্ছপ দু’রকমের হয়, যথা- ধাতব কচ্ছপ এবং ক্রিস্টালের কচ্ছপ। ধাতব কচ্ছপ ঘরের উত্তর দিকে মুখ করে রাখতে হবে। এতেই আর্থিক অবস্থার উন্নতি হয়। ব্যবসা ও চাকরিতে সাফল্য আসে। আর ক্রিস্টালের কচ্ছপ ঘরের ভিতরের দিকে মুখ করে রাখুন। এতে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ভালবাসা, সুখ বজায় থাকে।
পেঁচা– হিন্দু ধর্মে, পেঁচা দেবী লক্ষ্মী বাহন। আর লক্ষ্মীকে অর্থ, সমৃদ্ধির দেবী বলে মনে করা হয়। ফেং শুইয়ের মতে, আপনি যদি চটজলদি আর্থিক সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে চান, তাহলে ঘরে পেঁচার শোপিস রাখতে পারেন। পেঁচা আর্থিক অবস্থা উন্নতি করতে সাহায্য করে।
লাফিং বুদ্ধ– লাফিং বুদ্ধ সুখ ও সমৃদ্ধির প্রতীক। বাড়িতে লাফিং বুদ্ধের মূর্তি রাখা খুবই শুভ বলে মনে করা হয়। এমনকী ফেং শুইয়ে লাফিং বুদ্ধের মূর্তির বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। আপনি যদি বাড়িতে লাফিং বুদ্ধের ছোট্ট মূর্তি রাখেন, নিজেই জীবনের উন্নতি লক্ষ্য করতে পারবেন।
উইন্ড চাইম– বাড়ির প্রধান দরজা সামনে, বারান্দায় কিংবা খোলা জানালায় উইন্ড চাইম লাগানো উচিত। ফেং শুইয়ে উইন্ড চাইমের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। বাতাসের ধাক্কায় উইন্ড চাইমে যত বেশি শব্দ উৎপন্ন হবে, এটি ঘরের মধ্যে পজিটিভ শক্তির সঞ্চার ঘটাবে। পাশাপাশি এতে আপনার আর্থিক অবস্থার উন্নতিও হবে।
বাঁশ গাছ– আপনার হয়তো মনে হতে পারে যে বাঁশ গাছ আপনার জীবনে সমস্যা ডেকে আনতে পারেন। কিন্তু এই ধারণা ভুল। বরং, ফেং শুইয়ের মতে, বাঁশ গাছ আর্থিক অবস্থা উন্নত করতে সাহায্য করে। বাঁশ গাছ সম্পদ ও সমৃদ্ধির প্রতীক।





