জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারে গ্রহের পরিবর্তন সব সময়ই জীবনে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে। প্রতি ১৮ মাস অন্তর ছায়াগ্রহ কেতু নিজের অবস্থান পরিবর্তন করে থাকেন। ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে কেতু প্রবেশ করতে চলেছেন সিংহ রাশিতে। সূর্যের আধিপত্যে থাকা এই রাশিতে কেতুর আগমন একাধিক রাশির জাতক জাতিকার জীবনে আনতে চলেছে বড় বদল।
বৃষ রাশি – কেতুর সিংহে প্রবেশ বৃষ রাশির জাতকদের জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক হতে চলেছে। এই সময় তাঁদের কেরিয়ারে আসবে একাধিক সুযোগ। ব্যবসা বা চাকরির ক্ষেত্রে সাফল্য পাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। বিদেশে গিয়ে পড়াশোনা বা চাকরির সুযোগ মিলতে পারে। পাশাপাশি সম্পত্তি বা গাড়ি কেনার ইচ্ছেও পূরণ হতে পারে। যাঁরা নতুন কোনও ভাষা শেখার চেষ্টা করছেন, তাঁদের জন্যও সময়টা অনুকূল। মা বা পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হতে পারে।
তুলা রাশি – তুলা রাশির জাতকদের জন্য কেতুর এই অবস্থান বেশ লাভজনক হতে চলেছে। কেতু এখানে একাদশ স্থানে অবস্থান করবেন, যার ফলে আয় বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সরকারি কোনও যোজনায় লাভের মুখ দেখতে পারেন। বিনিয়োগ, শেয়ার বা লটারি থেকেও লাভের সুযোগ তৈরি হতে পারে। চাকরিরতদের পদোন্নতি বা নতুন দায়িত্ব আসতে পারে। সমাজে সম্মান বাড়বে, দীর্ঘদিনের ইচ্ছাপূরণ হতে পারে। সঞ্চয় বাড়বে, পাশাপাশি বড় আর্থিক কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য এই সময়টা শুভ।
কর্কট রাশি – কর্কট রাশির জাতকদের জন্য কেতুর সিংহ রাশিতে প্রবেশ অত্যন্ত ইতিবাচক। কেতু এই সময় দ্বিতীয় স্থানে থাকবেন। অর্থাৎ ধন-সম্পত্তি, পরিবার এবং বাণীর ক্ষেত্রে ভাল সময় আসতে চলেছে। হঠাৎ কোনও পুরনো ঋণ ফেরত পাওয়া বা নতুন কোনও ধনলাভের সম্ভাবনা রয়েছে। ব্যবসায় বড় সুযোগ আসতে পারে। কর্মক্ষেত্রে সম্মান বাড়বে। দীর্ঘদিনের কোনও পারিবারিক সমস্যা মিটে যেতে পারে। সন্তান লাভের যোগ তৈরি হতে পারে। স্বাস্থ্যও থাকবে বেশ ভাল।
আরও পড়ুনঃ Wakaf law protest in Suti : জঙ্গিপুরের পর বারুদে জ্বলছে সুতি! ওয়াকফ আইনের প্রতিবাদে পুলিশের সামনে বিক্ষোভকারীদের ‘বিদ্রোহ’, রাস্তায় আগুন, রণক্ষেত্র জাতীয় সড়ক
২০২৫ সালের জানুয়ারিতে কেতুর এই রাশিপরিবর্তন বিশেষভাবে প্রভাব ফেলবে বৃষ, তুলা ও কর্কট রাশির জাতক জাতিকার জীবনে। তাঁদের জীবনে কর্মক্ষেত্র, অর্থ, সম্পর্ক এবং সম্মান—সব ক্ষেত্রেই ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে। তবে প্রতিটি রাশির ফল নির্ভর করবে ব্যক্তিগত জন্মপত্রিকার উপর। তাই সঠিক প্রতিকার বা পরামর্শের জন্য কোনও বিশেষজ্ঞ জ্যোতিষীর পরামর্শ নেওয়াই শ্রেয়।





