হাতে আর মাত্র ৪ দিন। এরপরই পড়বে নতুন বছর। জ্যোতিষশাস্ত্র মতে, ৩০ বছর নতুন বছরে রাশি পরিবর্তন করবেন শনিদেব। সমস্ত গ্রহের মধ্যে সবথেকে ধীর গতিতে গমন করেন তিনি। নতুন বছরে শনিদেবের পাশাপাশি আর অন্যান্য গ্রহও রাশি পরিবর্তন করবেন। এই কারণে শনির এই যাত্রাকে খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
নতুন বছরের ২৯শে জানুয়ারি কুম্ভ রাশিতে যাত্রা করবেন শনিদেব। কুম্ভ হল শনির নিজস্ব রাশি। এই জাত্রার ফলে বেশ কয়েকটি রাশির উপর থেকে শনির সাড়ে সাতির দশা অর্ধেক হয়ে যাবে। শনির অর্ধশতাধিক দশা থেকে মুক্তি পেতে চলেছে কিছু রাশি।
শনির সাড়ে সাতি ও ধাইয়া আসলে কী?
জ্যোতিষশাস্ত্র মতে, শনিদেব ন্যায় ও কর্মের দাতা। শুভ ও অশুভ ফলাফলের ভিত্তির পেছনে রয়েছে শনির প্রভাব ও কর্মফল। শনির এই সাড়ে সাতি দশায় যাঁরা আক্রান্ত হোন, তাদের জীবন শুধু কষ্টেরই হয়ে থাকে। মানুষের জীবনে যখনই শনির অর্ধেক দশা চলে, তখনই সে তার কর্মে ক্রমাগত ব্যর্থতা পেতে থাকেন। শনির সাড়ে সাতি দশা সাত বছর এবং ধাইয়ার প্রভাব আড়াই বছর স্থায়ী হয়। জ্যোতিষশাস্ত্রীয় গণনা অনুসারে, শনি বর্তমানে মকর রাশিতে রয়েছে। ২০২৩ সাল শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ১৭ জানুয়ারি থেকে রাশি পরিবর্তন করতে চলেছে। শনির গতি পরিবর্তনের মাধ্যমে কিছু রাশির জাতক-জাতিকারা শনির অর্ধ-সাড়ে সাতি দশার দশ বছর থেকে মুক্তি পাবেন।
নতুন বছরে কোন কোন রাশি অর্ধ–সাধ এবং ধাইয়ার থেকে মুক্তি পাবে ?
২০২৩ সালের ১৭ জানুয়ারি শনি মকর থেকে কুম্ভ রাশিতে প্রবেশ করার সঙ্গে সঙ্গে ধনু রাশির লোকেরা শনির সাড়ে সাতি দশা থেকে মুক্তি পাবে। অন্যদিকে, তুলা ও মিথুন রাশির জাতকদের ওপর শনির দশাও শেষ হবে। একইভাবে, ধনু, তুলা এবং মিথুন রাশির মানুষের উপর একটি অনুকূল প্রভাব থাকবে। এই রাশির জাতক-জাতিকারা প্রতিটি কাজে সাফল্য পাবেন। জীবনে আসবে সুবর্ণ সুযোগ ও সমাজে বৃদ্ধি পাবে সম্মান ও খ্যাতি।





