বলিউড কিংবদন্তি রাজেশ খান্না সিঁদুর পরিয়েছিলেন গোপনে, মা’তাল হলে করতেন মা’রধোরও! ম’দ্যপ স্বামীর হাত থেকে রক্ষা পেতে কী করেছিলেন? জানেন, কে এই অনিতা? অভিনেতার সঙ্গে সমীকরণ কেমন ছিল?

বলিউডের প্রয়াত সুপারস্টার রাজেশ খান্নার সঙ্গে নিজের সম্পর্ককে আইনি বিবাহের সমতুল্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে লড়াই চালাচ্ছিলেন অভিনেত্রী অনিতা আদবানি। তবে সম্প্রতি বম্বে হাইকোর্ট তাঁর এই আবেদনের ওপর স্থগিতাদেশ দিয়ে সিদ্ধান্ত জানিয়েছে। বিচারপতি শর্মিলা ইউ দেশমুখের একক বেঞ্চ ২০১৭ সালে মুম্বইয়ের দিনদোশি দেওয়ানি আদালতের দেওয়া রায়ই বহাল রেখেছে। ওই সময় আদালত অনিতার দাবি নাকচ করেছিল। অনিতা সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করেই হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন।

শুনানির সময় আদালতে রাজেশ খানের বিচ্ছিন্ন স্ত্রী ডিম্পল কাপাডিয়া, তাদের মেয়ে টুইঙ্কল খান্না এবং জামাতা অক্ষয় কুমারের আইনজীবীদের বক্তব্যও শোনা হয়। আদালত সব কটি দিক বিবেচনা করে আগের সিদ্ধান্তকে বহাল রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রায় ১৪ বছর ধরে চলা এই আইনি লড়াইতে অনিতা বারবার দাবি করেছেন, তাদের সম্পর্ক ছিল বৈধ বিবাহের সমতুল্য। তিনি আদালতে এবং বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে বলেছেন যে, তারা একান্তে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন।

অনিতা আদবানি এক সাক্ষাৎকারে জানান, “আমরা বাড়িতে একটি ছোট মন্দিরে বিবাহ অনুষ্ঠান করেছি। আমি মঙ্গলসূত্র তৈরি করেছিলাম, এবং তিনি আমাকে সেটি পরতে বাধ্য করেছিলেন। এরপর তিনি সিঁদুর পড়িয়ে বললেন, ‘আজ থেকে তুমি আমার দায়িত্ব।’ এভাবেই এক রাতেই আমাদের বিবাহ সম্পন্ন হয়েছিল।” তবে তার এই বিবরণ নিয়ে নানা বিতর্কও উঠেছে। অনিতা দাবি করেছেন, এই সম্পর্কের সময় রাজেশ কখনও কখনও মারধোর করতেন।

তিনি আরও বলেন, “তিনি মাঝে মাঝে মদ্যপ থাকলে আমাকে আঘাত করতেন। আমি তখন নিজে রক্ষা করতে রিফ্লেক্স হিসেবে পাল্টা আঘাত করতাম। কিন্তু যখন তিনি মাদক বা মদ্যপতার নেশায় আসক্ত থাকতেন না, তখন তিনি আশেপাশে থাকার জন্য চমৎকার মানুষ ছিলেন।” অনিতার বক্তব্য থেকে বোঝা যায়, সম্পর্কের ভালো ও খারাপ দুই দিকই ছিল। তিনি জীবনের শেষ সময় পর্যন্ত রাজেশ খানের সঙ্গেই ছিলেন।

আরও পড়ুনঃ “যদি ‘ধুরন্ধর’কে প্রোপাগান্ডা বলা যায়, তবে ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’-কেও থামানো উচিত ছিল…কিন্তু তার মুক্তি পর্যন্ত আটকে রাখা হয়েছে” বিতর্কে মুখ খুললেন মিঠুন চক্রবর্তী! বর্ষীয়ান অভিনেতার সরাসরি খোঁচা কার দিকে?

উল্লেখ্য, রাজেশ খান্না ১৯৭৩ সালে ডিম্পল কাপাডিয়াকে বিয়ে করেছিলেন। যদিও তাদের মধ্যে পরে দূরত্ব সৃষ্টি হয়েছিল, আইনি বিচ্ছেদ হয়নি। অনিতার দাবিতে এই সম্পর্ককে বৈধ বিবাহের সমতুল্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার চেষ্টা করলেও আদালত সেই দাবি গ্রহণ করেনি। এখন এই মামলায় হাইকোর্টের রায় চূড়ান্ত বলে ধরা হচ্ছে।

Khabor24x7 NewsDesk

আরও পড়ুন

RELATED Articles