শুধু দর্শকদের দেখানোর জন্য পুজো হয় না ‘মহাপীঠ তারাপীঠ’ ধারাবাহিকে। সকলেরই জানা আছে সারা বছর ধরেই মা তারার নিত্যপুজো হয়ে থাকে। সেরকমই শুটের বাইরেও মা তারার আরতি হয় ‘মহাপীঠ তারাপীঠ’-এর সেটে। ধারাবাহিকের দর্শকদের জন্য নয় আদতেই মা তারার আরতি করা হয়ে থাকে। তবে এদিন মা তারার আরতি করতে দেখা গেল ‘বামদেব’ ওরফে সব্যসাচী চৌধুরীকে। মূলত এই ছবি চোখে পড়ল কৌশিকী অমাবস্যার দিন।
আজ কৌশিকী অমাবস্যা। এদিন শুটিংয়ের বাইরে আলাদা করে তারা মায়ের পুজোতে মাতলো টিম ‘মহাপীঠ তারাপীঠ’। কৌশিকী অমাবস্যা উপলক্ষে মায়ের আরতি করলেন সব্যসাচী ওরফে ‘বামদেব’। যদিওবা ধারাবাহিকে শিল্পনির্দেশনা বিভাগের ছোটু দা থাকেন প্রত্যেকদিন পুজোর দায়িত্বে। কিন্তু এদিন সব্যসাচী জানালেন, তিনি মায়ের আরতি করেছেন। সেই ছবি ছড়িয়েও পড়েছে সারা নেটপাড়ায়।
কৌশিকী অমাবস্যার দিন সব্যসাচীকে মায়ের আরতি করতে দেখে বেজায় খুশি তাঁর ভক্তকুল। অনেকেই আশীর্বাদ চেয়েছেন তাঁর কাছ থেকে। সেটে না থাকতে পারায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রবীণ অভিনেতা শঙ্কর ঘোষাল। অতিমারিতে এমনি কাজ হারাচ্ছেন সকলে। তাঁর মধ্যেই অভাবে দিন কাটাচ্ছিলেন অভিনেতা শঙ্কর ঘোষাল। কর্মহীন অবস্থায় যখন তাঁর শোচনীয় অবস্থা তখনই সব্যসাচী তাঁকে ধারাবাহিকে কিছু দিনের কাজের বন্দোবস্ত করেছেন। মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘১৯৭৬ সাল থেকেই তারা মার ভক্ত। আগে জানলে নিশ্চয়ই একবার যেতাম’। এই বিশেষ দিনে তারা মায়ের পুজো বিশেষ ভাবে করতে হয়। তবে কী এই দিন উপবাস করেছিলেন ছোটপর্দার বামদেব?
জানালেন, “তারাপীঠের মত সেটে সেইভাবে নিখুঁত পুজো করা সম্ভব হয়না। শুটের আগে বড়মার উদ্দেশ্যে প্রার্থনা করে নি সকলে। মায়ের আরতি করা হয়। সেটে নিজের মতো করে সবটা করে থাকেন ছোটুদা। পুজো শেষে আমদের পেয়ারা ভোগ দেওয়া হয়।” সারা দিন ছুটির পর উপবাস করলে চোখে-মুখে ছাপ পড়ে যাবে। শরীর দেবে না। খারাপ হয়ে পড়বে আরও। তাই না খেয়ে থাকেন না সব্যসাচী। কিন্তু কৌশিকী অমাবস্যার আরতি নিজের হাতেই করেছেন বামদেব। প্রার্থনা করেছেন, “সবার যেন ভালো হয় এবং সবাই যেন ভালো থাকে”।
বাকি বছরের মতো চলতি বছরেও কৌশিকী অমাবস্যার দিনে একইভাবে মায়ের আরতি করেছেন সব্যসাচী। সেই ছবি ছড়িয়ে পড়ে সোশ্যাল মিডিয়ায়। যা দেখে আপ্লুত হয়েছেন দর্শকবৃন্দ। উপবাস করে না হলেও, এই দিনটি নিজেই মা তারার আরতি করে থাকেন বামদেব ওরফে সব্যসাচী।





