সাহসীই বটে! ‘বুমেরাং’ ছবিতে ন্যাড়া লুকে রুক্মিনী, ট্রোলিংয়ের ভয় পান নি? কীভাবে ভয়কে জয় করলেন ‘দেব-প্রিয়া’?

আসছে বাংলার প্রথম সায়েন্স ফিকশন ছবি বুমেরাং।‌ বাংলা ছবির ইন্ডাস্ট্রিতে এর আগে সায়েন্স ফিকশন নিয়ে কোন ছবি সেরম ভাবে হয়নি। জিতের প্রযোজনায় তৈরি হচ্ছে বুমেরাং ছবিটি। এই ছবিতে মুখ্য ভূমিকায় দেখা যাবে জিৎ ও রুক্মিনী মৈত্রকে (Rukmini Maitra)। এই ছবিতে প্রথমবার একসাথে কাজ করতে দেখা যাবে জিৎ ও রুক্মিনীকে। ‌ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে বুমেরাং ছবি ট্রেলার।

এই ছবিতে রুক্মিনীর লোক নিয়ে হৈ চৈ করে গিয়েছে টলিপাড়ায়। রোবটের গল্প নিয়ে বুমেরাং ছবি। এই সিনেমায় থাকবে সুপার বাইকের কথা। এই ছবিতে দ্বৈত্য চরিত্রে অভিনয় করছেন রুক্মিনী। রুক্মিনীকে (Rukmini Maitra) দেখা যাবে জিতের স্ত্রীয়ের চরিত্রে মানুষ হিসেবে।‌ অপরটি রোবটের চরিত্রে। ‌ এই দুই চরিত্রের নাম সিনেমাতে নিশা ও ইশা। এই ছবিতে মুখ্য ভূমিকায় দেখা যাবে জিৎ ও রুক্মিনীকে (Rukmini Maitra)। তাছাড়াও এই ছবিতে দেখা যাবে, সৌরভ দাস, রজতাভ দত্ত, খরাজ মুখোপাধ্যায়‌ ছাড়াও অন্যান্য অনেক অভিনেতা অভিনেত্রীদের। ‌আগামী ৭ জুন প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে চলেছে এই ছবিটি। ‌জানা গিয়েছে এই ছবি পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন সৌভিক কুন্ডু।

টলিপাড়ায় বুমেরাং ছবিতে রুক্মিনীর (Rukmini Maitra) লুক নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে। এবার নিজের লুক নিয়ে সাক্ষাৎকারে মুখ খুললেন অভিনেত্রী। ‌ন্যাড়া মাথায় অভিনেত্রীকে দেখে কেমন প্রতিক্রিয়া পেয়েছেন, উত্তরে অভিনেত্রী জানান, “খুব ভাল। অনেকেই প্রশংসা করেছেন। এমনকি, মুম্বইয়েও আমার লুক নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আসলে এই প্রথম আমার কোনও লুক নিয়ে এতটা চর্চা হল।”

ইদানিং তারকাদের নিয়ে ট্রোলিং ট্রেন্ডের মতো হয়ে দাঁড়িয়েছে, তবে সে সবকিছুতে পাত্তা দেননা অভিনেত্রী। রুক্মিনী (Rukmini Maitra)জানিয়েছেন,”লোকে কী ভাববে, সেটা ভেবে জীবন যাপন করলে তখন তা আর নিজের জীবন থাকে না! সেটা করলে আমার জীবনের রিমোটটা তখন তাঁদের হাতে থাকবে। আর আমি সত্যিই রোবট হয়ে যাব।”

এই প্রথম জিতের সাথে জুটি বেঁধেছেন রুক্মিনী (Rukmini Maitra)। অভিনেত্রীর লুক দেখে কি বলেছেন জিৎ। রুক্মিনী জানান, “জিৎদা খুবই খুশি হয়েছিলেন এবং বিষয়টা সমর্থন করেছিলেন। সেটে প্রথম দিন আমাকে ওই মেকআপে দেখে জিৎদা বললেন, ‘বাহ্! বেশ ভাল লাগছে তো তোমাকে দেখতে।’ তবে শুটিংয়ে নয়, প্রথম দিন মেকআপ তৈরি হতেই ফ্লোর থেকেই দেবকে নিজের ছবিটি তুলে পাঠিয়েছিলেন রুক্মিনী। রুক্মিনী (Rukmini Maitra) বলেন, “ও লিখে পাঠিয়েছিল, মাথার চুল ছাড়াও যে তোমাকে এতটা ভাল দেখতে হতে পারে, এর আগে আমার কোনও ধারণা ছিল না। আমাকে নাকি সুপারমডেলের মতো দেখতে লাগছে, বলেছিল দেব।”

রুক্মিনীর (Rukmini Maitra) মতে, “হলিউডে তো এ রকম লুকে অনেক অভিনেত্রীকেই দেখা গিয়েছে। আসলে ন্যাড়া হয়েও যে গ্ল্যামারাস হওয়া সম্ভব, আমার মনে হয়, লুকটা সে কথাই প্রমাণ করে।” এই লুক্রেট এর জন্য প্রায় তিন চার পাঁচ ঘন্টার মত বসে থাকতে হতো একটা চেয়ারে। অভিনেত্রী বলেন, “খুব কঠিন। মনে আছে ভোর ৫টা থেকে মেকআপ শুরু হত। কিন্তু বীথিকা (রূপটান শিল্পী বীথিকা বেনিয়া) আমার সঙ্গে দীর্ঘ দিন কাজ করছে। খুব ভাল কাজ করেছে।শেষ পর্যন্ত যখন নিজের লুকটা দেখলাম, তখন বুঝলাম, আমাদের পরিশ্রম সার্থক।”

রুক্মিণীর (Rukmini Maitra) এই লুকের নেপথ্য ছিল বীথিকা। তার কথায়, “পরিচালক এ রকম একটা লুক চেয়েছিলেন। মাত্র ২৪ ঘণ্টা সময় ছিল। কিন্তু চ্যালেঞ্জটা আমি গ্রহণ করেছিলাম।”

RELATED Articles