কাঞ্চন-শ্রীময়ীর বিয়ের চর্চা থামার কোনও নাম নেই। শ্রীময়ীর সঙ্গে পরকীয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন কাঞ্চন মল্লিক (Kanchan Mullick)। কিন্তু দ্বিতীয় বিয়ে শেষ হতেই শ্রীময়ীর সঙ্গে নতুন করে সম্পর্ক শুরু করেছেন অভিনেতা। হাজারো বিতর্ক ট্রোলিং এর মাঝে চুটিয়ে সংসার করছেন কাঞ্চন-শ্রীময়ী বিবাহিত জীবন উপভোগ করছেন কাঞ্চন মল্লিক আর শ্রীময়ী চট্টোরাজ। সমস্ত কটাক্ষকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করছেন তারা। দেড় বছরের আইনি লড়াইয়ের পর ১০ জানুয়ারি ডিভোর্স ফাইনাল হয় পিঙ্কি আর কাঞ্চনের। ৫৬ লাখ টাকা ও দশ বছরের ছেলে ওশকে দেন তৃণমূলের বিধায়ক । পিঙ্কি বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে ডিভোর্সের মামলা শেষ হতেই শ্রীময়ী চট্টরাজের সঙ্গে রেজিস্ট্রি সারেন কাঞ্চন মল্লিক (Kanchan Mullick)।
অভিনেত্রী পিঙ্কি কাঞ্চনের প্রাক্তন স্ত্রী। বর্তমানে পিঙ্কি বলেছেন, “বিবাহবিচ্ছিন্ন পুরুষকে বিয়ে করে ভুল করেছিলেন তিনি, আরও সময় নেওয়া দরকার ছিল।” শুধু পিঙ্কি নয় কাঞ্চনের বিয়ে হতে উঠে এসেছে তার প্রথম স্ত্রীর কথাও। কাঞ্চনের প্রথম স্ত্রী, অনিন্দিতা দাস ইন্ডাস্ট্রির মানুষ।অভিনয় করেন টেলিভিশনের পর্দায়।
জানা গেছে, কাঞ্চনের ফ্যান-গার্ল ছিলেন অনিন্দিতা। কাঞ্চনের সঞ্চালনায় ‘জনতা এক্সপ্রেস’ দেখেই প্রেমে পড়েন। তারপর হয় বিয়ে। ২০০৮ সালে দূরত্ব তৈরি হয় দাম্পত্যে। ২০১০ সালে আইনত বিবাহ বিচ্ছেদ হয় তাঁদের। কাঞ্চন তৃতীয় বিয়ে সেরে ফেলেও ১৪ বছর ধরে একা অনিন্দিতা। তাহলে এখনও কী কাঞ্চনের ভালোবাসায় মশগুল? নাকি অন্য কোনো কারণ রয়েছে এখানে। নিজের পরিবার এবং পোষ্য বিড়ালদের নিয়েই অনিন্দিতার জীবন। নতুন পোস্ট ঘিরে শুরু হয়েছে জল্পনা। অনিন্দিতাকে দেখে মনে হচ্ছে ১৪ বছর পর জীবনে এসেছে নতুন কেউ। অনিন্দিতার ফেসবুক পোস্ট সেদিকেই ইঙ্গিত করছে।
দিন কয়েক আগে এক পুরুষ বন্ধুর সঙ্গে বেশ কিছু ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন অনিন্দিতা। সেখানেই কমেন্টের বন্যা বয়ে গেছে। কেউ অভিনন্দন জানিয়েছেন আবার কেউ আগামীর শুভেচ্ছা।
সেই ছবির ক্যাপশনে অনিন্দিতা লিখেছিলেন, ‘You make me laugh’ (তুমি আমার হাসির কারণ)। সঙ্গে জুড়ে দেন ভালোবাসার ইমোজি। যা দেখে অনেকেই মনে করেন আগামীতে দেখা মিলবে দুজনের। জল্পনা উড়িয়ে দিয়েছেন অনিন্দিতা। তিনি স্পষ্ট জানান, “আমরা শুধুই বন্ধু। ভালো বন্ধু। এখানে কোনও আগামী নেই…”। জানা গেছে অনিন্দিতার সেই বন্ধু পেশায় সাংবাদিক।
কাঞ্চনের তৃতীয় বিয়ের খবর সামনে আসার পর অভিনেত্রী জানিয়েছিলেন, “কোনও একটা মানুষের সঙ্গে আমার একটা সময় বিয়ে হয় এবং তা ভেঙে যায় মানে এটা নয় যে, আমি বর্তমানে তাঁর জীবন নিয়ে আগ্রহী হব। কিংবা আমি কোনও বক্তব্য রাখব।” তবে কাঞ্চনের প্রতি তাঁর কোনও ক্ষোভ নেই। নেই কোনও অনুভূতিও। এ প্রসঙ্গে জানান, “মানুষটাই তো নেই আমার জীবনে। পাশের বাড়ির পচাদা-র প্রতি কি আমার অনুভূতি থাকবে… আমি বর্তমানকে ঘিরে বাঁচি।”





