বাঙালির ড্রয়িংরুমের জনপ্রিয় মুখগুলির অন্যতম হলেন তিনি। ‘পুন্যিপুকুর’, ‘কুসুমদোলা’, ‘ফাগুনবউ’, ‘খড়কুটো’, ‘বালিঝড়’ পরপর হিট ধারাবাহিক করে জনপ্রিয়তার শিখরে আছেন তিনি। হয়ে উঠেছেন দর্শকদের অন্যতম প্রিয় মুখ। বর্তমানে তাকে দেখা যাচ্ছে ‘আলোর কোলে’ ধারাবাহিকে। কৌশিক রায় এখন জনপ্রিয় হলেও তার অভিনয় জীবনের শুরুটা কিন্তু সহজ ছিল না।
কৌশিক রায় বহরমপুরের ছেলে। লেখাপড়ার জন্য কলকাতায় আসেন ২০০৪ সালে। তার আগে দিল্লিতে করতেন মার্কেটিং এর চাকরি। অভিনয় করার নেশায় মন বসাতে পারেননি চাকরিতে। থিয়েটার করবেন বলে মনস্থির করে চাকরি ছেড়ে চলে আসেন কলকাতায়। কলকাতায় কৌশিকের এমবিএ কলেজের অধ্যাপিকা ছিলেন অভিনেতা রজতাভ দত্তের স্ত্রী সোমা দত্ত। তিনিই কৌশিককে নিয়ে যান রাজ চক্রবর্তীর কাছে।
কৌশিককে দেখে পছন্দ করেন রাজ চক্রবর্তী। কৌশিকের অভিনয়ে ভরসা রেখে রাজ চক্রবর্তী জোশ নায়ক একটি ধারাবাহিকে মুখ্য চরিত্রে কৌশিককে সুযোগ দেন। এরপর আর অভিনয় জীবনে পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। ‘বধু কোন আলো লাগল চোখে’, ‘ইষ্টিকুটুম’, ‘বোঝেনা সে বোঝেনা’ প্রভৃতি ধারাবাহিকে পরপর কাজ করে জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন।
অভিনেতা কৌশিক রায়ের জন্ম কিন্তু শিলিগুড়িতে। ক্লাস এইট অব্দি পড়েছেন শিলিগুড়িতেই। তারপর চলে আসেন বহরমপুর। সেখান থেকেই উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেন অভিনেতা। কৌশিকের বাবা এখনও বহরমপুরেই থাকেন। মা মারা গিয়েছেন বেশ কয়েক বছর আগে। ছোটবোনের বিয়ে হয়ে গিয়েছে বহরমপুরেই।
বর্তমানে অভিনেতা কৌশিক স্ত্রী এবং একমাত্র কন্যার সাথে থাকেন গল্ফগ্রীনে। তার স্ত্রীর নাম আর্শিয়া রায় ভট্টাচার্য। ২০১২ সালে প্রেম করে বিয়ে করেন দুজনে। তাদের ছোট্ট মেয়ের নাম মৈথিলী। ডাকনাম কথা। ব্যস্ততা সামলেই সময় দেন পরিবারকে। স্ত্রী এবং কন্যাকে নিয়ে কৌশিকের এখন সুখের সংসার।








‘ভগবান শুধু আশা দেন, কাজ কিছুই করেন না!’ ঈশ্বরকে নিয়ে বিস্ফো’রক জাভেদ আখতার