টেলি জগত থেকে শুরু করে সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ পরিচিত নাম দিব্যজ্যোতি দত্ত। জয়ীর ঋভু কিংবা দেশের মাটির কিয়ান সবেতেই দর্শকদের মন জিততে সক্ষম হয়েছেন এই তরুণ অভিনেতা।
এই ভয়াবহ করোনা পরিস্থিতিতে আমজনতার পাশে দাঁড়িয়েছেন এই সুদর্শন তারকা। অভিনয়ের বাইরে বাস্তবের মাটিতে তিনিই এবার অন্নদাতা।
করোনার হাহাকারের মাঝে চুপ করে বসে থাকতে পারেননি দিব্যজ্যোতি। নিজের সবটুকু উজাড় করে এগিয়ে এসেছেন সাধারণ মানুষের জন্য।
শুধুমাত্র নিজের কথা না ভেবে প্রতিদিন প্রায় ১৩০ জন অভুক্ত মানুষের খাবারের দায়িত্ব নিয়েছেন তিনি l তবে এই লড়াইতে শুধু দিব্যজ্যোতি একা নন, সঙ্গে পেয়েছেন দুই দাদাকে। টাকার জোরে নয়, শুধু ইচ্ছের জোরে তৈরি করেছেন ‘উই আর টুগেদার’।
View this post on Instagram
তরুণ অভিনেতার কথায়, “একা একা তো কিছু করা যায় না। মানুষের সাহায্য ছাড়া মানুষের পাশে দাঁড়ানো যায় না। প্রচুর মানুষ সাহায্যের জন্য হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। কেউ চাল কিনে দিচ্ছেন, কেউ তেল দিচ্ছেন। যে যা পারছেন সাধ্যমত আমাদের দিচ্ছেন। যেমন ‘দেশের মাটি’ সিরিয়ালে আমার সহকর্মী অনন্যা দাস ৬০ কেজি চাল কিনে দিয়েছেন। আমার সহকর্মী শ্রুতি দাস করোনার ওষুধ কিনে দিয়েছেন। শুধু করোনা বলে নয়, আমরা যতদিন পারব এই চেষ্টাটুকু আমরা করে যাব। অভুক্ত মানুষগুলোর হাতে চাল-ডাল-তেল-নুনের প্যাকেট তুলে দিলে তাঁদের মুখে যে একটা হাসি ফুটে ওঠে, তার মত তৃপ্তি আমাকে আর কিছুতে দেয় না।”
আরও পড়ুন- প্রথম ধারাবাহিক থেকেই সকলের প্রিয় হয়ে উঠেছেন ‘খেলাঘর’-এর পূর্ণা, কিন্তু বাস্তবে তিনি কেমন, জানুন
দিব্যজ্যোতি মনে করেন, “আসলে টাকা থাকাটা বড় কথা নয়, ইচ্ছেটাই হল বড় কথা।মানুষের জন্য কিছু করার ইচ্ছে থাকলেই মানুষের পাশে দাঁড়ানো যায়।”
আর সেই ইচ্ছাশক্তির জেরেই দিব্যজ্যোতি এবং তাঁর সঙ্গীরা শুধু যে প্রতিদিন প্রায় ১৩০ জন অভুক্তদের হাতে খাবার তুলে দিচ্ছেন। করোনা আক্রান্তদের বাড়িতে গিয়েও একবেলা করে তাঁরা খাবার দিয়ে আসছেন। কারোর ওষুধের প্রযোজন হলে ওষুধ কিনে দিচ্ছেন।





