সারেগামাপা থেকেই জনপ্রিয়তা পান। সে বছরের বিজয়ী ছিলেন তিনি। এরপর অঙ্কিতা ভট্টাচার্যের (Ankita Bhattacharya) গান নানার সময় নজর কেড়েছে শ্রোতাদের। সঙ্গীত শিল্পী অঙ্কিতা ভট্টাচার্য (Ankita Bhattacharya)। যিনি বলি টলিউড দুই পাড়াতেই বেশ জনপ্রিয়। একের পর এক শোয়ে মন মাতিয়েছেন তিনি। একাধিক বিতর্কে ও নাম জড়িয়েছে এই গায়িকার। ২৭ শে মার্চ ছিল এই গায়িকারই জন্মদিন। জন্মদিনে একসঙ্গে তিনটি কেক কেটেছেন গায়িকা। এ বছরে ২২ শে পা দিয়েছেন থেকে ২২ লেখা মোমবাতিও ছিল কেকের মধ্যে বয়স নিয়ে কোন লুকোছাপা করেননি।
অঙ্কিতার (Ankita Bhattacharya) জন্মদিনে উপস্থিত ছিলেন তার মা সহ গোটা পরিবার। ফুল দিয়ে সাজানো হয়েছিল স্টেজ, সুসজ্জিত টেবিলের ওপর রাখা ছিল কেক। জন্মদিনের দিন অঙ্কিতাকে দেখা যায় হলুদ রঙের চুরিদারে, কাঁধে ঝুলছিল বার্থ ডে গার্লের স্যাস। কানে ম্যাচিং ঝুমকো। তার জন্মদিনের পোস্টে অনেকেই তাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

তার জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে একজন লিখেছেন, ‘শুভ জন্মদিন বোন। তোমার গর্বিত পিতা – মাতার প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। তোমার জীবনের উত্তরোত্তর সফলতা কামনা করছি। তোমার গান শুনে আমি মুগ্ধ হই। তুমি গায়কী জীবন আরো সমৃদ্ধিময় হউক। তোমার সুস্বাস্থ্য ও নিরাময় সুদীর্ঘ জীবন কামনা করছি।’ আরেকজন লিখেছেন, ‘শুভ জন্মদিন অঙ্কিতা, ঈশ্বর তোমার মঙ্গল করুন।’
সম্প্রতি তার গান নিয়ে বিতর্ক ছড়িয়ে ছিল অন্য মাত্রায়। অঙ্কিতার (Ankita Bhattacharya) গানে রেগে আগুন হয়ে গেছিলেন বাংলাদেশিরা। তার নিজের গাওয়া গান কমলার নৃত্য করে নিয়ে সমস্যায় পড়েছিলেন তিনি। ওই গানকে তিনি নিজের গান বলে দাবি করাতেই শুরু হয় কটাক্ষ। অঙ্কিতা স্টেজে গান গাইতে উঠে বলেন, “এই গানটি খুব বিখ্যাত হয়। কারণ, ঋতাভরী এই গানে নাচ করেন। দ্বিতীয়, কাতার বিশ্বকাপে এই গান বাজে।” কমলায় নৃত্য করে গানকে নিজের গান বলতেই রেগে যান বাংলাদেশীরা।
বাংলাদেশীদের কথায়, ‘বাংলাদেশের গানকে চুরি করে তিনি নিজের নামে চালাবেন। এই গান আমরা ছোট থেকে গেয়ে বড় হয়েছি। ওনার গান কেন, কবে থেকে?’ আবার কেউ বলেন, ‘এটা আমাদের অনুভূতির সঙ্গে মিশে থাকা গান! উনি নিজের গান কেন বলছেন?’ আবার কেউ বললেন, ‘সিলেটের এই গান বিখ্যাত! আবার কারওর কথায়, ভারতের মানুষেরা নিজের জিনিসে সন্তুষ্ট না। ওদের রুজি রুটি চলে বাংলাদেশের মেরে।’
উল্লেখ্য, আসল গানটি গেয়েছেন বাংলাদেশের সিলেটের শাহ আবদুল করিমের গান। এই গান গেয়েছেন অনেক মানুষ। তেমনই অনেকের মতো অঙ্কিতা (Ankita Bhattacharya) নিজে এই গান গেয়ে জনপ্রিয়তা পেয়েছেন। তবে গানটিকে নিজের বলাতেই বির্তক চরমে ওঠে।





“হিরণের বাড়িতে দু’টো বউ, সোহমের কিন্তু একটাই বউ…” দলীয় প্রার্থীর প্রশংসা করে, বিপক্ষ তারকা প্রার্থীকে খোঁচা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের! নির্বাচনের প্রাক্কালে শাসকদল বনাম বিজেপির সংঘাতে উত্তেজনা তুঙ্গে!