স্টুডেন্ট অব দ্য ইয়ারের পর আর ঘুরে তাকাতে হয়নি, কিন্তু কেরিয়ারের শুরুতে কতটা স্ট্রাগল করেছেন সিদ্ধার্থ মালহোত্রা? স্মৃতিচারণায় অভিনেতা

সিদ্ধার্থ মালহোত্রা কোন স্টারকিড নন, নেপটিজমের বিরুদ্ধে নেই কোনো অভিযোগ। তিনি ক্যারিয়ার গড়েছেন বরুন-আলিয়ার সাথে। স্টার কিডের রমরমায় টিকে থাকতে হয়েছিল একাই। সম্প্রতি, সিদ্ধার্থ মালহোত্রা অভিনীত যোদ্ধা মুক্তি পেয়েছে। শেরশাহর পর আবারও এই ছবিতে ভারতীয় সেনার চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা গিয়েছে তাকে। যোদ্ধা ছবিটি ১৫ মার্চ মুক্তি পেয়েছে। সেখানে তাঁর সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করেছেন রাশি খান্না এবং দিশা পাটানি। যোদ্ধা ছবির প্রচারে গিয়ে অভিনেতা তার ক্যারিয়ার শুরুর গল্পটা সকলকে জানান।

কেরিয়ারের ফেলে আসা দিনগুলোর কথা মনে করে অনেক স্মৃতি শেয়ার করেন তিনি। বলিউডে পা রাখার আগে তার সময়টা কেমন ছিল কোথায় থাকতেন কিভাবে থাকতেন সবকিছুই প্রকাশ্যে এনেছেন অভিনেতা।
কিছুদিন আগেই সিএনএন নিউজ ১৮ এর রাইসিং ভারত সামিটে এসেছিলেন সিদ্ধার্থ মালহোত্রা। সেখানে তিনি তার জীবনের চড়াই-উৎরাই এর কথা বলেন। বলিউডে আসার আগে তার জীবনটা ঠিক কেমন ছিল সে কোথাও বলতে শোনা যায় অভিনেতাকে। অনেক খ্যাতি নাম যশ অর্জন করে নিলেও ক্যারিয়ারের শুরুটা মোটেই মসৃণ ছিলনা। অনেক কাঠ খড় পুড়িয়ে আসতে হয়েছে বলিউডে।

অনুষ্ঠানে এসে সিদ্ধার্থ সেদিন জানান, তিনি তাঁর দুই রুমমেটের সঙ্গে জুহুতে থাকতেন। সেখানে তাঁদের তিনজনের ইনকাম মিলিয়ে মোট ইনকাম হত ৩৫ থেকে ৪০ হাজার টাকা মতো। জোহর মতো এলাকায় ঘর ভাড়া দিতেই চলে যেত প্রায় ১১ হাজার টাকা। ওই টাকার বিনিময়ে একটা ছোট্ট ফ্ল্যাটে থাকতেন তারা। সেখানে ছিল দেড়খানা ঘর, একটা ছোট জানলা। কষ্টের ওই দিনগুলো বেশ সুন্দর ছিল বলেই ব্যাখ্যা করেছেন সিদ্ধার্থ। দিনগুলো ছিল সহজ সরল। এমনকি সে সময় তাদের টাকা বাঁচানোর টিপস ও শেয়ার করেন সবার সাথে। টাকা বাঁচানোর জন্য নাকি ঘরে তারা পর্দা পর্যন্ত লাগাতেন না, আরাম করার মত কোন আসবাব ছিলনা ঘরে। শুধুমাত্র আশ্রয় ছিল এই ঘরটা।

সিদ্ধার্থ আরও জানান স্টুডেন্ট অব দ্য ইয়ার ছবির মাধ্যমে ডেবিউ করার আগে তিনি মডেলিং করতেন। সেই সময় মডেলিং করে একটা শুটে প্রায় ৩০-৪০ হাজার টাকা করে উপার্জন করতেন তিনি। এরপর মাই নেম ইজ খান ছবিতে অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টরের কাজ করেন।

RELATED Articles