ট্রোলিং, এই শব্দটার সঙ্গে এখন আমরা সকলেই পরিচিত। সোশ্যাল মিডিয়ায় সর্বক্ষণ শুনতে পাওয়া যায় শব্দটি। কোনও মানুষকে কটাক্ষ করা বা তাঁকে নিয়ে ট্রোল করা, এখন যেন ট্রেন্ডে দাঁড়িয়েছে। এবার এই ট্রোলারদের একহাত নিলেন সঙ্গীতশিল্পী ইমন চক্রবর্তী।
ফেসবুক লাইভে এসে তিনি বলেন, “কাঠি করা বন্ধ করুন। কাঠি করার স্বভাবটা খুব খারাপ। ঘরে বসে কাঠি না করে যশে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ত্রাণ দিন”।
ঘূর্ণিঝড় যশের প্রভাবে তুমুল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে রাজ্যের নানান এলাকা। এর মধ্যে অন্যতম তমলুক। এই তমলুকে গিয়েই ইমন সঙ্গীত অ্যাকাডেমির সদস্যরা ত্রাণ বিলি করবেন। এই উদ্যোগে সাহায্যের জন্যই ফেসবুকে একটি লাইভ সেশন করেন ইমন।
আরও পড়ুন- ভিডিও বিতর্ক! উরুগুয়ের টর্নেডোর পুরনো ভিডিওকেই ঘূর্ণিঝড় যশের ভিডিও বলে দাবী করল এবিপি আনন্দ
এই ফেসবুক লাইভে এসেই ট্রোলারদের উদেশ্যে মুখ খোলেন ইমন। আসলে, এর আগে কখনও বিয়ের পর শাঁখা-পলা, সিঁদুর পরা নুয়ে, কখনও বা জিন্স পরে স্টেজে গান করা নিয়ে, ও আরও অন্যান্য বিষয়ে নানাভাবে নেটিজেনদের একাংশের কটাক্ষের মুখে পড়তে হয় ইমনকে। এই কারণেই এবার তাদের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করলেন গায়িকা।
ফেসবুক লাইভে এসে ইমন জানান, তিনি দেখতে চান যে বা যাঁরা ফেসবুক কিংবা টুইটারের মাধ্যমে এত বড় বড় কথা বলেন, তাঁরা কে এবং কতটা দান করেন। আসলে তারকারাও তো মানুষ। খারাপ মন্তব্যে তাঁদেরও খারাপ লাগে। কিন্তু কিছু মানুষের অযথা ব্যঙ্গ, বিদ্রুপ, কটাক্ষের কাছে মাথা নত করবেন না ইমন, এমনটাই জানান গায়িকা।
ইমন বলেন, তিনি এবং তাঁর বন্ধুরা মানুষের পাশে দাঁড়াবেন, আর সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়াতে পোস্টও করবেন। কারণ ইমন মনে করেন, তাঁর পোস্ট দেখে যদি একজনও মানুষের জন্য কিছু করার উৎসাহ পান, তাহলে সেটাই তাঁর কাছে সবচেয়ে বড় সাফল্য।
আরও পড়ুন- জেল থেকে ফিরল ‘জুন আন্টি’, শ্রীময়ীর সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক কী হবে, চলছে তুমুল জল্পনা
গত বছর লকডাউনের সময় থেকেই করোনা মোকাবিলায় সাহায্য করছেন ইমন চক্রবর্তী ও তাঁর সঙ্গীরা। প্রতিদিন হাওড়ার প্রায় ১০০ মানুষকে খাবার খাইয়েছেন তারা। শুধু তাই-ই নয়, রাস্তার অসহায় কুকুর, বিড়ালদেরও খাওয়ানোর ব্যবস্থা করে চলেছেন তারা।
তবে এতদিন ধরে এই কাজ করা মুশকিল। সাধ থাকলেও সাধ্যে কুলায় না। এই কারণেই ইমন ফেসবুক লাইভে আসেন ও সকলের কাছে অনুরোধ করেন, যদি তারা ইমন সঙ্গীত অ্যাকাডেমির তহবিলে দান করেন। তাঁর এই ভিডিওর ক্যাপশনেই তিনি এই সংক্রান্ত নানান তথ্য দিয়েছিলেন।





