জি বাংলায় (Zee Bangla) সদ্য একটি নতুন ধারাবাহিক এসেছে। ধারাবাহিকের নাম ‘কাজল নদীর জলে’ (Kajol Nodir Jole)। এই ধারাবাহিকে দেখা যায় যে, কঙ্কাবতী সমুজ্জ্বলকে ভালোবাসে, সমুজ্জ্বলও কঙ্কাবতীকে ভালোবাসে কিন্তু তাদের সেই ভালোবাসা নীরব, সেই ভালোবাসার কখনও কোনও প্রকাশ ঘটেনি। কঙ্কাবতীর বিয়ের সম্বন্ধ এলে সে সমুজ্জ্বলকে সবটা বলে।
প্রথম প্রথম সমুজ্জ্বল এই বিষয়টা নিয়ে নানান রকম মন্তব্য করলেও পরবর্তীতে সে যখন জানতে পারে কঙ্কার সাথে বিয়ে ঠিক হয়েছে অর্জুনের, তখন সে অর্জুনের মুখ থেকে কঙ্কার প্রতি তার ভালোবাসার কথা শুনে অর্জুনের জন্য কঙ্কাবতীকে এড়িয়ে যেতে শুরু করে। অন্যদিকে সমুজ্জ্বলের মুখ থেকে সত্যিটা জানতে চায় কঙ্কাবতী। সেই সময় সমুজ্জ্বলের পরিচিত এক মেয়ের সাথে তাকে দেখে ভুল বোঝাবুঝি হয় কঙ্কার মনে।
এরপর এক রকম অভিমানবশত এবং তাড়াহুড়ো করেই সে অর্জুনকে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিয়ে নেয়। বিয়ের মন্ডপে বসে সে ভাবতে থাকে যদি এই বিয়ে ভেঙে দেওয়া যায়। তাই অর্জুনের পরিবার যখন কঙ্কাবতীর গায়ে কম গয়না নিয়ে কথা বলতে থাকে, তখন কঙ্কাবতী বরপক্ষের সামনে চলে গিয়ে, নিজের বক্তব্য তুলে ধরে সে তার গায়ের গয়না খুলে ফেলতে চায়।
আসলে কঙ্কাবতী সুযোগ খুঁজতে থাকে যদি এই সুযোগে তার বিয়েটা ভেঙে যায়। কিন্তু তার বিয়েটা ভাঙ্গে না, শেষমেষ পরিবারের লোক কথাবার্তা বলে বিয়েটা দিয়ে দেয়। অথচ কঙ্কাবতী মনে মনে ভাবতে থাকে সে কোনদিনই অর্জুনকে সমুজ্জ্বলের জায়গাটা দিতে পারবে না। এখানেই দর্শক বলছেন তাহলে কঙ্কাবতীর বিয়ে করার দরকারটা কী ছিল?
এইভাবে দু নৌকাই পা দিয়ে চলবে বলে, বিয়ে করার কোন দরকারই ছিল না। বেকার অর্জুনের জীবনটা নষ্ট হয়ে গেল। সোশ্যাল মিডিয়ায় একজন নেটিজেন লিখেছেন, “কঙ্কাবতী দু নৌকায় পা দিয়ে দিল বেচারা অর্জুনের জন্য মায়া হচ্ছে সে অল্প কয়েক দিনের মধ্যে কঙ্কাবতীকে অনেক ভালোবেসে ফেলেছে সমুজ্জ্বলের জায়গা অর্জুনকে দিতে পারবে না জেনেও হুট করে অর্জুনের সাথে বিয়ের সিদ্ধান্ত নিল”।






