আজ থেকে ৯ বছর আগে দিল্লির বুকে ঘটেছিল এক নৃশংস ঘটনা। ২০১২ সালের ১৬ই ডিসেম্বর দিল্লিতে তরুণী নির্ভয়ার উপর অমানুষিক অত্যাচার করে তাকে মেরে ফেলা হয়। তার উপর ঘটা নৃশংসতার বিবরণ শুনে কেঁপে উঠেছিল গোটা বিশ্ব। চলন্ত বাসে ৬ জন মিলে তাকে গণধর্ষণ করে এবং তার যোনীতে রড ঢুকিয়ে তার শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বার করে আনে। দোষীদের শাস্তির দাবিতে উত্তাল হয়ে ওঠে গোটা ভারত বর্ষ। তরুণীর নাম দেওয়া হয় নির্ভয়া।একে একেকে ধরা পড়ে ৬ জন দিল্লি পুলিশের হাতে।
এরপর শুরু হয় আইনি লড়াই। অভিযুক্তদের আইনজীবীরা বারবার তাদেরকে খালাস করার জন্য নানা রকম উদ্ভট যুক্তি দেখাতে থাকেন আদালতে। অন্যদিকে নির্ভয়ার হয়ে এই মামলা লড়েছিলেন সীমা কুশ্বাহা। যখন এই ঘটনাটা ঘটেছিল তখন সীমা আদালতে প্রশিক্ষণ নিচ্ছিলেন। তিনি তখনি ঠিক করে নিয়েছিলেন যে তিনি মামলা লড়বেন নির্ভয়ার হয়ে।
২০১২ থেকে ২০২০ সাল আট বছর ধরে দাঁতে দাঁত চেপে নির্ভয়ার হয়ে মামলা লড়ে গিয়েছেন সীমা। সম্পূর্ণ মামলা তিনি লড়েছেন বিনামূল্যে। নির্ভয়ার বাবা মায়ের থেকে একটা পয়সাও নেননি তিনি। অবশেষে গত বছর ১২ ই মার্চ মিলল বিচার।প্রায় সাত বছর দীর্ঘ কারাবাসের পর অবশেষে গত বছর ১২ মার্চ ভোর ৫:৩০ নাগাদ দিল্লির তিহার জেলের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল অপরাধীদের। উল্লাসে ফেটে পড়ে ছিল গোটা বিশ্ব। জয় হয়েছিল ন্যায়বিচারের এবং ধ্বংস হয়েছিল নাশক দের।






“রাজনীতিতে তারকার খ্যাতি নয়, আদর্শ থাকা জরুরি!” “প্রত্যেককে নিরাপত্তা দেবে এমন একজনই হোক মুখ্যমন্ত্রী!” রাজনীতিতে তারকাদের ভূমিকা ও নির্বাচনে আদর্শহীন প্রার্থীদের নিয়ে অকপট লগ্নজিতা চক্রবর্তী!