বাংলার রাজনীতির কালারফুল মানুষ। রাজনীতির ময়দানে অসুস্থতার জন্য দেখা যাচ্ছে না তাকে। তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় অ্যাক্টিভ তিনি। এমনকি নেট নাগরিকদের কাছে বিশেষ জনপ্রিয় তিনি। তিনি আর কেউ নন মদন মিত্র (Madan Mitra)। সম্প্রতি অসুস্থ হয়ে ঘরবন্দি হয়ে রয়েছেন তৃণমূল বিধায়ক। বহুদিন তোর সোশ্যাল মিডিয়ায় কোনো আপডেট পাওয়া যায় না। সোশ্যাল মিডিয়ায় তার লাইভ ছিল বিশেষ জনপ্রিয়। বহুদিন পর দোলযাত্রার দিন ফেসবুকে একটি ছবি পোস্ট করেন সকলের প্রিয় মদন দা (Madan Mitra)। নিজের লাইফ বন্ধ থাকলেও দোলে সকল অনুরাগের খোঁজ খবর নিয়েছেন তিনি।
সোশ্যাল মিডিয়ায় মদন মিত্র (Madan Mitra) যে ছবিটি পোস্ট করেছেন, তাতে দেখা যাচ্ছে কপালে সবুজ আবিরের ছোঁয়া, গোটা গা ঢেকে রেখেছেন চাদরে। তবে কৌতূহলের বিষয় তার পাশের মহিলাটিকে নিয়ে। ছবিতে দেখা যাচ্ছে মদন মিত্রের পাশে বসে রয়েছেন একজন মহিলা। সম্ভবত প্রশ্ন উঠেছে কে তিনি। সে সুন্দরী মহিলার ছবি দেখেই নাকি শেয়ার হচ্ছে মদন মিত্র মদন মিত্র (Madan Mitra) ছবি দাবি অনেকের। তিনি মদন মিত্রের ছোট ছেলের স্ত্রী অর্থাৎ মদন মিত্রের ছোট বৌমা। মদন মিত্রের ছোট পুত্রবধূর নাম মেঘনা মিত্র। সোশ্যাল মিডিয়ায় এমন একটি ছবি পোস্ট করে মদন মিত্র ক্যাপশনে লিখেছেন “কেমন কাটল আপনাদের দোল?”
উল্লেখ্য, মেঘনা মিত্র কামারহাটি পুরসভার ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর। মেঘনা মিত্র মদনের কাছে পুত্রবধূ না একেবারেই নিজের মেয়ের মত বলে উল্লেখ করেছেন তৃণমূল নেতা। সামনেই লোকসভা ভোট তবে অসুস্থতার জন্য বাড়িতেই রয়েছেন কামারহাটি তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র (Madan Mitra)। তাই লোকসভা ভোটের প্রচারে মাঠে ময়দানে দেখা যাচ্ছে না তাকে। এমনকি তৃণমূলের ব্রিগেডেও দেখা মেলেনি তার। এখন আর সোশ্যাল মিডিয়ায় তেমন অ্যাকটিভ থাকেন না। তবে দীর্ঘদিনের পর নিজের ছবি পোস্ট করেছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। কিভাবে কেটেছে তার দোল সেটাই সকলের সাথে শেয়ার করে নিয়েছেন। মেঘনা মিত্রর মুখে সব সময় বাবা মদন মিত্রের প্রশংসা শোনা যায়।
বিধায়কের পোস্ট করা ছবি দেখে বোঝা যাচ্ছে একেবারেই সুস্থ হয়ে ওঠেননি তিনি চোখে মুখে অসুস্থতার ছাপ স্পষ্ট। মদন মিত্রের এই ছবি দেখে হতাশ হয়েছেন তার অনুরাগীরা। কারণ তাকে সব সময় দেখা যায় রঙিন পাঞ্জাবি হাসি মুখ নানা ধরনের চশমা পড়ে। এখন আর তার সেই লুক ফুটে ওঠে না। ডিসেম্বরে আচমকা অসুস্থ হয়ে এসএসকেএম এ ভর্তি হন মদন মিত্র (Madan Mitra)। শ্বাস কষ্টের সমস্যা নিয়ে উডবার্ন ব্লকে চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে ছিলেন তৃণমূল নেতা।





