বিতর্ক ট্রোলিং এর মাঝে চুটিয়ে সংসার করছেন কাঞ্চন-শ্রীময়ী (Kanchan-Sreemoyee)। বিবাহিত জীবন উপভোগ করছেন কাঞ্চন মল্লিক আর শ্রীময়ী চট্টরাজ। সমস্ত কটাক্ষকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করছেন তারা। তাদের বিয়ের একাধিক ছবি এবং ভিডিও ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে। বিয়ে হওয়ার পর থেকে যেন আরও বেশি করে সামাজিক মাধ্যমে অ্যাক্টিভ হয়েছেন শ্রীময়ী চট্টরাজ। নানা ধরনের আপডেট শেয়ার করছেন তিনি। পিঙ্কি বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে ডিভোর্সের মামলা শেষ হতেই শ্রীময়ী চট্টরাজের সঙ্গে রেজিস্ট্রি সারেন কাঞ্চন মল্লিক। এই দম্পতি রেজিস্ট্রি সেরেছেন প্রেমদিবসে। এবার বিয়ে করলেন কাঞ্চন মল্লিক এবং শ্রীময়ী চট্টরাজ। ২ মার্চ সন্ধ্যায় বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন কাঞ্চন এবং শ্রীময়ী (Kanchan-Sreemoyee)।
এই দম্পতির বিয়ের পর সাক্ষাৎকারে বারবার উঠে আসছে তাদের সাংসারিক জীবন। কটাক্ষ ট্রোলিং-এর মাঝেও কাঞ্চন-শ্রীময়ীর (Kanchan-Sreemoyee) ছবি ভিডিও দেখতে পছন্দ করছে নেট নাগরিকরা। তার নতুন সংসারের খুঁটিনাটি নিয়ে সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে কথা বলেছেন শ্রীময়ী চট্টরাজ। দোলের উৎসবে মাতোয়ারা হয়ে ওঠেন এই দম্পতি। কাঞ্চনের বাড়ির রাধা-মাধবের পুজো দিয়ে শুরু হয় তাদের দোল উৎযাপন।
দোলে এর আগে এক সাক্ষাৎকারে শ্রীময়ী জানিয়েছিলেন, “দোল তো অবশ্যই খেলব। বাড়ির ছাদে, কারণ নাহলে ঘর নষ্ট হয়। আর আমি তো আবির খেলি, রং-এ যে এলার্জি আছে। তারপর বাড়িতে মধ্যাহ্ন ভোজনের আয়োজন হয়েছে। মেনু হল মাংস, ভাত, চিংড়ি মাছের মালাইকারি। তবে এর পুরোটাই হবে আমার-কাঞ্চনের বাড়িতে। দোলের দিন ক্লাবে বা অন্যকোথাও গিয়ে খেলি না। বাড়িতে আমার দাদা-বউদি, ভাসুর-জা, আমার বোন ওর ছোট্ট বাচ্চা, এরাঁ সকলে আসবে। তবে আমার দিদি আসতে পারবে না, ও বাইরে থাকে তাই। আমার সবাই মিলে গানবাজনা করব, আড্ডা দেব, ছবি তুলব। বাড়ি পুরো জমজমাট থাকবে। হাউস পার্টি বলতে পারেন।”
প্ল্যান মেনে উদযাপন করেছেন দোল। দোলের দিন রাত ১২টার সময় ঠাণ্ডাই বানাতে দেখা গেল শ্রীময়ীকে। রাতে জমিয়ে পার্টি করলেন কাঞ্চন-শ্রীময়ী (Kanchan-Sreemoyee)। ঠাণ্ডাই বানাতে বানাতে শ্রীময়ী বললেন, “ঠাণ্ডাই বানানো হচ্ছে। আজকে আমাদের ব্যাপক মেনু। দুপুরে খাঁসির মাংস, ভাত। দুপুর নয়, ওটা বিকের ৫টায় খাওয়া হয়েছে। আর ঘুম থেকে উঠে বাসি লুচি আর আলুর দম। আর রাতে চিংড়ি মাছের মালাইকারি, শুঁটকি মাছের চচ্চড়ি। আর তারপর দুধ দিয়ে বানানো ঠাণ্ডাই। জানি না, বাকি যারা এসেছে তারা সুস্থভাবে বাড়ি যাবে নাকি তাঁদের পরিচিত হাসপাতালে…।” তখনই কাঞ্চন বললেন বেলেঘাটা আইডি।
রাতে হাউস পার্টির একাধিক ভিডিও নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন শ্রীময়ী। গান বাজনার সঙ্গে আড্ডা দিতে দেখা গেল কাঞ্চন-শ্রীময়ীকে (Kanchan-Sreemoyee)। সকলে গলা মিলিয়েছেন, ‘ছেড়ে দিলে সোনার গৌড় আর তো পাব না’। দোলের দিন শ্রীময়ী চট্টরাজ সেজেছিলেন লাল পেড়ে সাদা শাড়িতে। মাথায় দিয়েছিলেন হলুদ গাঁদার মালা। কাঞ্চন পরেছিলেন সাদা পাঞ্জাবি।





