বঙ্গ রাজনীতির অন্যতম কালারফুল চরিত্র মদন মিত্র। বিধানসভা নির্বাচনে আগে তার ওহ লাভলি রীতিমত নজর কেড়েছে। উপনির্বাচনের আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে গান লিখেছেন তিনি। কামারহাটির বিধায়ক এক অর্থে ভার্সেটাইল।বিধায়ক আবার গান ও করেন। সম্প্রতি তার বায়োপিক ও আসছে।সময় পেলে গলা ছেড়ে রবীন্দ্র সংগীত ও গেয়ে দেন তিনি।
তবে এবার অন্যরকম গান থেকে আপাতত ছুটি নিচ্ছেন মদন। দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কথা মত শুধুমাত্র রবীন্দ্র সংগীতের চর্চায় মন দেবেন তিনি।যেমন কথা তেমন কাজ।বৃহস্পতিবার টালিগঞ্জের এক স্টুডিওয় হয়ে গেল রেকর্ডিং।
শহরে যতই শীতের আমেজ উকি মারুক , মদন মিত্রের মনে বসন্ত চিরকালীন। গানেও তার রেশ অব্যাহত।স্টুডিওয় তাঁর গাওয়া চারটি রবীন্দ্রসংগীতের তালিকায় ছিল – ‘ওরে ভাই ফাগুন লেগেছে বনে বনে’। গাইলেন ‘আমারও পরাণ যাহা চায়।’ রেওয়াজে উঠে এল ‘কী গাব আমি, কী শুনাব?’ স্টুডিওয় গাইলেন ‘আমায় যেসব দিতে হবে, সে তো আমি জানি’।
পোশাকে সবসময় চমক দিতে ওস্তাদ মদন মিত্র।পরনে ধুতি-পাঞ্জাবি, সামনে খোলা গীতবিতান, হারমোনিয়াম-তবলায় এ এক অন্য মদন। সংবাদমাধ্যমে মদন মিত্র জানান শুক্রবার তিনি যাচ্ছেন শান্তিনিকেতনে। এবার সেখান থেকে নতুন করে রবীন্দ্রসংগীতের মাধুর্য, মাহাত্ম্য খুঁজবেন। সোনাঝুরিতে গিয়ে বাউলদের সঙ্গে নিয়ে বাউল গাওয়ারও ইচ্ছে রয়েছে। তবে আপাতত রবীন্দ্রসংগীতেই মন দেবেন মদন মিত্র। আর তাই শান্তিনিকেতন ভ্রমণ।
মধ্যমগ্রামে এক প্রশাসনিক বৈঠক শেষে মদন মিত্রকে দেখে হঠাৎ করেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ”মদন মিত্র কিছু বলল না তো! ওকে তো এতক্ষণ খেয়ালই করিনি।” এরপরই মমতা আবার বলে ওঠেন, ”ও কিছু বলবে না। ও রবীন্দ্রসংগীত গাইবে।” দলনেত্রীর কথা অক্ষরে অক্ষরে পালন করেন মদন।





