বলিউডের প্রথম সারির গায়িকা তিনি। কাজল কালো চোখ, আদুরে গাল বিছানায় শুয়ে রয়েছেন একরত্তি। এই মিষ্টি বাচ্চাটি এখন বলিউডে তার কন্ঠের জাদুতে মঞ্চ কাঁপাচ্ছেন। ছোট্ট খুদের ছবিটি নেহা কক্করের (Neha Kakkar)। ৬ই জুন ৩৬-এ পা দিলেন গায়িকা নেহা কক্কর। তার জন্মদিনে সোশ্যাল মিডিয়ায় শুভেচ্ছায় ভরে গিয়েছে। নেহাকে শুভেচ্ছা জানান তাঁর স্বামী রোহনপ্রীত সিং।
তিন ভাই বোনকে বড় করতে হিমশিম খেতে হয়েছিল বাবা-মাকে। পাড়ায় পাড়ায় জাগরণের রাত জেগে গান গাইতেন এই বিখ্যাত গায়িকা (Neha Kakkar)। পরিবারে আর্থিক অনটনের কারণেই খুদে বয়স থেকেই রোজগারের পথ করে নিয়েছিলেন এই জাগরণকে। প্রথম রোজগার ছিল ৫০ টাকা। এখন একটা গান গাইতেই ১৫ লাখ টাকা নেন তিনি।
বছর তিন আগে স্বীকৃতি মেনে বিয়ে সারেন গায়িকা নেহা কক্কর (Neha Kakkar)। পাঞ্জাবি গায়ক রোহনপ্রীত সিং-কে বিয়ে করে নেন। ‘নেহা দা বিহা’ গানের সেটেই প্রথম আলাপ হয় দুজনের। নেহার থেকে আট বছরের বড়ো তার স্বামী রোহান। প্রেমের প্রস্তাব খারিজ করে দিয়েছিলেন নেহা। তবে তারপর প্রেমে পড়েন নেহা। বউয়ের জন্মদিনের আদরের শুভেচ্ছা জানালেন রোহনপ্রীত। নেহা কক্করকে শুভেচ্ছা জানিয়ে লিখেছেন, “আমার বাচ্চা সবে ১৬-তে পা দিল, এই পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর মনের মানুষকে জানাই শুভ জন্মদিন”।

নেহার (Neha Kakkar) বলিউডি গান দর্শকদের মন জয় করেছেন। তার ঝুলিতে রয়েছে অজস্র হিট গান। এখনকার প্রজন্মের অন্যতম জনপ্রিয় গায়িকা তিনি। ককটেল ছবিতে সেকেন্ড হ্যান্ড জবানি গানের মাধ্যমে বলিউডে অনুপ্রবেশ ঘটে। এরপর ক্যারিয়ারে পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি। সানি সানি, লন্ডন ঠুমকাদা, কালা চশমা, আঁখ মেরে-এর মতো অনেক গান শ্রোতাদের মনোরঞ্জন করেছে। তার ফলোয়ার সংখ্যা অন্যান্য অনেকের কাছে ঈর্ষার কারণ। ইনস্টাগ্রামে নেহার ফলোয়ার সংখ্যা ৭৯ মিলিয়ান।
এবছর সুপারস্টার সিঙ্গারের মঞ্চে পালন হয়েছে নেহা কক্করের (Neha Kakkar) জন্মদিন। সাদা রংয়ের পোশাক পরে সেজেছিলেন নেহা। আনন্দে চোখে জল এসে গেছিল গায়িকার। নেহা বলেন, “আমি কখনো ভগবানের কাছে নিজের জন্য কিছু চাই না। আমি সবসময় আমার পরিবারের জন্য প্রার্থনা করি। তবে এটা জানি, আমার অনুরাগীরা আমার জন্য এই কাজটা করে।” ভালোবাসার মানুষদের জন্য নেহা বার্তা দেন, “আমি জানি নেহা’জ-রা সবসময় আমার জন্য প্রার্থনা করে। এই যে আমি এত সুস্থ, এত হাসিখুশি, সব এই ভালোবাসার জন্য। আপনাদের শুভকামনার জন্যই আমি দুনিয়া জুড়ে এভাবে ছাপ রেখে যেতে পারছি। আর এটা আমাকে সবসময় গর্বিত করে।”





