বসিরহাটে গিয়ে শ্মশানকালী মন্দিরে ভোগ রাঁধলেন নুসরত, হিন্দু ধর্মের অবমাননা করেছেন তারকা-সাংসদ, অভিযোগ নেটিজেনদের

কিছুদিন আগেই এলাকা জুড়ে পোস্টার পড়েছিল যে তারকা-সাংসদ নুসরত জাহান নাকি নিখোঁজ। তাঁকে দীর্ঘদিন তাঁর লোকসভা কেন্দ্র বসিরহাটে দেখা যাচ্ছে না। নির্বাচনের পর তাঁকে দরকারের সময় পান নি এলাকার মানুষ। সেই পোস্টার নিয়ে বিতর্ক কম হয়নি।

এই বিতর্কের পরই বসিরহাট ছুটে যান নুসরত। সেখানে গিয়ে নানান এলাকা পরিদর্শন করেন। নানান কাজ নিয়ে এদিক ওদিক ছোটেন। এরই মধ্যে গতকাল, শনিবার বসিরহাট উত্তরের খোলাপোতা কালী মন্দিরের পুজোয় যোগ দেন নুসরত। পুজোর উদ্বোধন করার পাশাপাশি বড় কড়াইতে ভোগও রান্না করতে দেখা গেল তাঁকে।

এদিন টাকি পুরসভায় বৈঠক সেরে একটি সেলফি পয়েন্টের উদ্বোধনও করেন তৃণমূল সাংসদ। সেখানে লেখা, ‘আই লাভ টাকি’। এদিন তাঁর পরনে ছিল অফ হোয়াইট-লাল সিল্কের শাড়ি। কালী মন্দিরে বিশাল কড়াইতে খিচুড়ি রাঁধলেন নুসরত। খুন্তি চালাতে চালাতে আবার জিজ্ঞেসও করলেন, “কি পেরেছি তো”? সকলেই সাংসদকে বেশ উৎসাহও জোগান।

তবে এই নিয়ে এবার শুরু হয়েছে নানান চর্চা। আসলে, নুসরত মুসলিম। একজন মুসলিম হয়ে তিনি কীভাবে হিন্দু মন্দিরের ভোগ রান্না করছেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন নেটিজেনরা। অনেকেই আবার লিখেছেন, “এটা মসজিদ নয়, মন্দির”। অনেকের মতেই, নুসরত এমন কাজ করে হিন্দু ধর্মের অবমাননা করেছেন। এই নিয়ে তারকা-সাংসদের প্রতি ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন নেটিজেনদের একাংশ।

বলে রাখি, গত সোমবার সকালে বসিরহাটের হাড়োয়ার চাঁপাতলা পঞ্চায়েত এলাকায় ঢি ঢি পড়ে যায় যে সাংসদ নুসরত জাহান নাকি নিখোঁজ। তাঁর সন্ধান চাই লেখা একাধিক পোস্টার দেখা যায় গোটা এলাকা জুড়ে। সেইসব পোস্টারের নীচে লেখা ছিল প্রচারে তৃণমূল কর্মীবৃন্দ।

সেই প্রসঙ্গে নুসরত বলেন, “লোকসভা কেন্দ্রে সাতটা বিধানসভা রয়েছে। প্রতিদিন কিছু না কিছু কাজ করতে হয়। মাতৃত্বকালীন সময়ে চিকিৎসকরা নিষেধ করা সত্ত্বেও আমি এসেছিলাম। যিনি এই পোস্টার দিয়েছিলেন তিনিই এখন নিখোঁজ। স্বার্থসিদ্ধির জন্য এই পোস্টার দেওয়া হয়”।

RELATED Articles

Leave a Comment