বাংলার একটি অন্যতম জনপ্রিয় শো দাদাগিরি। এবারের সেই ‘দাদাগিরি’ ১০ বছর পূর্ণ করল। সঞ্চালক হিসেবে দীর্ঘ বেশ কয়েক বছর ধরেই প্রশংসিত সৌরভ। বহু জায়গার লোক এই মঞ্চে এসে, তাদের জ্ঞানের ভান্ডার উজাড় করে দেয়। দাদাগিরি ১০ শো-টি জি বাংলায় প্রতি শনি এবং রবিবার সম্প্রচারিত হয়। দাদাগিরির মঞ্চে সৌরভ গাঙ্গুলী (Sourav Ganguly) কেউ দেখা যায় প্রতিযোগীদের বিভিন্ন উত্তর দিতে। সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় সঞ্চালিত এই শো রাত সাড়ে নয়টা থেকে দেখা যায়। দেখতে দেখতে পাঁচ মাসের সফর পার করে ফেলেছে সৌরভ সঞ্চালিত এই শো। দাদাগিরির এই সিজনে কখনো মঞ্চ আলোকিত করতে এসেছে খুদেরা। আবার কখনো এসেছেন নায়ক নায়িকারা। এসেছেন বহু প্রতিভার মানুষজন।
সম্প্রতি দাদাগিরির এপিসোডের নতুন প্রোমো প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে দেখা গেছে দাদাগিরির মঞ্চে এসেছেন টলিপাড়ার অভিনেত্রীরা। পায়েল সরকার, মধুমিতা সরকার, অন্বেষা হাজারাদের দেখা যাবে দাদাগিরির শো-তে। সামনে এসেছে এই এপিসোডের প্রোমো।
একটা সময় বাংলা ছবির পরিচিত মুখ ছিলেন পায়েল সরকার। এখন সেভাবে আর পর্দায় দেখা যায় না তাকে। দাদাগিরির মঞ্চে লাল শিফন শাড়ি আর স্লিভলেস ব্লাউজে সিজলিং হট লুকে ধরা দিয়েছিলেন পায়েল। দাদার সামনে কী এমন বললেন নায়িকা, যাতে আফসোস হচ্ছে সৌরভের।
সৌরভকে প্রোমোর শুরুতেই বলতে শোনা গেল, ‘পায়েল বলে দাদার যেটা সবচেয়ে পছন্দ, ওর সেটা একেবারে অপছন্দ’। পায়েল বলেন, ‘একটা হল বিরিয়ানি, আরেকটা হল ফুচকা’। এই কথা শুনে রীতিমতো মাথায় হাত অন্বেষা-মধুমিতার। মধুমিতা বলেন, ‘আমি তো বিরিয়ানি খেতে খুব ভালোবাসি।’ মধুমিতার কথায় তাল মিলিয়ে সৌরভ বলেন,’জীবনের আনন্দ কী, জানলই না পায়েল।’ জানা গেল বিরিয়ানি, ফুচকাতে অভক্তি পায়েলের।
উল্লেখ্য, শুক্রবারই বক্স অফিসে মুক্তি পাচ্ছ পায়েলের নতুন ছবি ‘আবার অরণ্যের দিনরাত্রি’। সুমন মৈত্রের এই ছবিতে চার বান্ধবীর পাহাড়ের গল্প উঠে আসবে। পায়েলের সাথে এই ছবিতে রয়েছেন, রূপসা মুখোপাধ্যায়, অলিভিয়া সরকার এবং যুক্তা রক্ষিত। আবার শাকিব খানের সঙ্গে পর্দায় দেখা যাবে পায়েলকে। অনন্য মামুনের আসন্ন ছবিতে রয়েছেন শাকিব। সেই ছবিতেই গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে রয়েছেন পায়েল। এর আগে ভাইজান এল রে ছবিতে শাকিবের সঙ্গে কাজ করেছেন পায়েল।
২০২১ সালে বিধানসভা ভোটের আগে বিজেপিতে নাম লিখিয়েছিলেন পায়েল। তবে ভোট শেষে রাজনীতির ময়দান থেকে সরে গেছেন। এখন অভিনয়েই ফোকাস করেছেন তিনি । রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানো প্রসঙ্গে পায়েলকে বলতে শোনা যায়, ‘পলিটিক্স থেকে সরেছি সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত কারণে। লোকে বলছে কেরিয়ারে ক্ষতি, তবে সেটা একেবারেই নয়। বরং রাজনীতিতে আসার পর আরও বেশি কাজ করেছি।’





