প্রসেনজিৎ-ঋতুপর্ণার (Prasenjit-Rituparna) কি প্রেম ছিল? এই নিয়ে নানা সময় নানা জায়গায় লেখালিখি চলেছে। উত্তম-সুচিত্রা জুটির পর এই জুটি ইন্ডাস্ট্রির সবচেয়ে চর্চিত এবং সফল জুটি প্রসেনজিৎ-ঋতুপর্ণার ৫০তম ছবিতে প্রেম প্রসঙ্গে প্রসেনজিত জানান, “কিছু জিনিস অজানা থাকুক, মানুষ ভাবতে থাকুক। যখন আমরা থাকব না, তখনও যাতে এই আলোচনাটা চলে”।
তাদের (Prasenjit-Rituparna) প্রেম নিয়ে চর্চা থামেনি কোন সময়। ২০১৫ সালে শিবপ্রসাদ নন্দিতা মিলিয়ে দিয়েছিলেন এই জুটিকে। প্রাক্তন ছবির আগে ১৪ বছর একসঙ্গে কাজ করেনি তারা । ইন্ডাস্ট্রিতে প্রায় সই তাদের মনোমালিন্য নিয়ে কথা উঠেছে। শোনা যায়, মনোমালিন্যের জন্যই নাকি একসঙ্গে কাজ করা বন্ধ করেন এই জুটি। শ্বশুরবাড়ি জিন্দাবাদের মতো ব্লকবাস্টার ছবির পর একসঙ্গে কাজ বন্ধ করেন প্রসেনজিৎ-ঋতুপর্ণা জুটি। প্রাক্তনের পর কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়ের ‘দৃষ্টিকোণ’ ছবিতে একসঙ্গে দেখা গিয়েছে প্রসেনজিৎ-ঋতুপর্ণাকে। ১৪ বছরের বিরতির পর দর্শক দুজনের প্রেম দেখলেও মিলন দেখতে পায়নি ছবিগুলোতে। অযোগ্যতেও প্রসেনজিৎ, ঋতুপর্ণার প্রাক্তন। শিলাজিৎ-এর সঙ্গে সংসার ঋতুপর্ণার।
সম্প্রতি অযোগ্যর এক প্রচারে গিয়ে এই জুটির ঝগড়া প্রসঙ্গে অভিনেতা জানান, “আমাদের (Prasenjit-Rituparna) মধ্যে কোনও ঝামেলা হয়নি। আমরা একসঙ্গে কাজ করিনি, কারণ আমাদের কাজে বাধা এসেছিল। তবে সেটা অতীত, এখন আমরা ফিরে এসেছি এবং দর্শকদের ভালোবাসার জন্যই এটা সম্ভবপর হয়েছে। এই ভালোবাসার জন্যই আমরা একসঙ্গে ৫০ নম্বর ছবিটা করছি।”
প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের কথায়, “এটা ঈশ্বরের আশীর্বাদ, আমাদের সাথে কাজ করেছেন প্রায় ৩০-৩৫ জন পরিচালক, প্রযোজক টেকনিশিয়ান, মেকআপ আর্টিস্ট। ৩০ বছর ধরে আমরা (Prasenjit-Rituparna) একসাথে কাজ করছি, তার মধ্যে আবার আমরা ১৪ বছর কাজ করিনি একসাথে। এটা পূজো নয় এটা কোন ফেস্টিভ্যাল নয় তবে আমার আর ঋতু ৫০ তম ছবিকে দর্শকরা ফেস্টিভ্যাল হিসেবে নিয়েছে। সারা পশ্চিমবাংলায় ছবিটি রিলিজ হয়েছে। যোগ্য, অযোগ্য যাইহোক মানুষ ভুলতে পারবে না প্রসেনজিৎ ঋতুপর্ণা একসাথে ৫০ তম ছবি করেছে। এই ছবিটি ইতিহাসের পাতায় লেখা হয়ে থাকবে।”
ঋতুপর্ণার কথায়, “এটা আমাদের কাছে এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত। ইতিহাস এমনি এমনি হয় না। ইতিহাসের পিছনে অনেক পরিশ্রম থাকে। আমাদের এই দীর্ঘ লম্বা জার্নিটার জন্য আমরা (Prasenjit-Rituparna) অনেকের কাছে কৃতজ্ঞ। তারা বারবার প্রমাণ করেছে এই জুটিটাকে কাজ করানো যায়। প্রযোজকেরা জানে এই জুটি আমাদের টাকা এনে দিয়েছে। আমি সবাইকে রিকোয়েস্ট করেছি ভালো লাগলে ছবিটি নিয়ে কথা বলবেন। আমরা যেমন রেসপন্সিবিলি কাজ করেছি তেমন দর্শকদের ও রেসপন্সিবিলিটি আছে ছবিটা একটা বড় জায়গায় নিয়ে যাওয়ার।”





“হিরণের বাড়িতে দু’টো বউ, সোহমের কিন্তু একটাই বউ…” দলীয় প্রার্থীর প্রশংসা করে, বিপক্ষ তারকা প্রার্থীকে খোঁচা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের! নির্বাচনের প্রাক্কালে শাসকদল বনাম বিজেপির সংঘাতে উত্তেজনা তুঙ্গে!