রচনা ব্যানার্জি (Rachana Banerjee) বাংলার দিদি নং ১। তাঁর রূপে মুগ্ধ অনেকেই। তাকে নিয়ে নতুন করে শুরু হয়েছে নানান আলোচনা। কারণ রবিবার ব্রিগেড থেকে তৃণমূলের লোকসভা নির্বাচনের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হওয়ার পর থেকে সবচেয়ে যিনি ট্রেন্ডিংয়ে এসেছেন তিনি হলেন রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিনেত্রীদের ব্যক্তিগত জীবন এমনিতেই চর্চার বিষয়। তাই প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পর রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জীবন নিয়ে চর্চা হবেই।
রচনা ব্যানার্জি ১৯৯৩ সালে বাংলা সিনেমা ‘দান প্রতিদান’ এর হাত ধরে পা রাখেন অভিনয়ের দুনিয়ায়। শুধুমাত্র বাংলা সিনেমাই নয় তাকে অভিনয় করতে দেখা গিয়েছে অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গেও। টলি ও বলির পাশাপাশি তামিল, তেলেগু, কানাড়া, ওড়িয়া সিনেমাতেও কাজ করেছেন। শোনা যায়, ওড়িয়া সিনেমাতে কাজ করার সময়ই নাকি তিনি এক পড়িয়া হিরোর প্রেমে পড়ে ছিলেন।
ওড়িয়া সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিতে রচনা ব্যানার্জি সিদ্ধান্ত মহাপাত্রের সঙ্গে জুটি বেঁধে একের পর এক হিট সিনেমা করেছেন। বাংলা সিনেমাতেও এই জুটি দেখা গিয়েছে। সেই সময় অনেককে বলতে শোনা যায়, তারা দুজন বিয়ে করেছিলেন। রচনা বাঙালি বলে সিদ্ধান্তের পরিবার তাকে মেনে নেননি। এ বিষয় নিয়ে কখনই কাউকে মুখ খুলতে দেখা যায়নি।
তবে দুজনের বিচ্ছেদের খবর অনলাইনে ছড়িয়ে পড়ে। জানা যায়, ২০০৪ সালে তাদের ডিভোর্স হয়। এরপর ২০০৭ সালে রচনা ব্যানার্জীর সঙ্গে বিয়ে হয় প্রবাল বসুর। তাদের দুজনের এক সন্তানও রয়েছেন। ২০১৬ সালে একে অপরের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যান তারা।
২০১৬ সাল থেকে রচনা ব্যানার্জি তার স্বামী প্রবাল বসুর থেকে আলাদা হয়ে গেলেও তারা অবশ্য ডিভোর্স নেননি। এই বিষয়ে রচনা ব্যানার্জি এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, “ছেলের মুখ তাকিয়েই তিনি প্রবাল বসুর থেকে ডিভোর্স নেন নি। এমনকি ছেলের ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে প্ৰবাল বসুও ডিভোর্স না নেওয়ার বিষয়টিতে সম্মতি দিয়েছিলেন।”





“আগে হিন্দু, তারপর বাঙালি…যে রক্ষা আমাদের রক্ষা করবে, আমি তাদের দলে” “আমি হিন্দুস্থান চাই” বাংলায় পদ্মফুলের উত্থানেই খুশি অভিজিৎ ভট্টাচার্য! বিজেপির সাফল্যের পর খুললেন মুখ! গায়কের মন্তব্যে তোলপাড় নেটদুনিয়া!