‘গোটা রাত টেনশনের জন্য ঘুম হয় না’, নিজেদের কোন ভয়ের কথা দাদাগিরির মঞ্চে সৌরভের সঙ্গে শেয়ার করলেন রাহুল-দেবলীনা?

‘লর্ডসে ঘুরপাক জামা মানে দাদাগিরি’! সত্যিই তাই, শুধুমাত্র ২২ গজেই নয়, টেলিভিশনের পর্দাতেও তাঁর দাদাগিরি খুবই প্রশংসনীয়। তাঁর উপস্থিতিতেই এই রিয়্যালিটি শো এক অন্য মাত্রা পায়। কিছু মাস আগেই শুরু হয়েছে দাদাগিরির নতুন সিজন। আর সেই সিজন একেবারে জমজমাট।

দাদাগিরিতে খেলার মাঝেও প্রতিযোগীদের সঙ্গে কিন্তু জমিয়ে আড্ডা দেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। যে কোনও বিষয় নিয়েও চলে আড্ডা। অনেকেই আবার সৌরভের সামনে বেশ ভয়ে ভয়েই থাকেন। দাদার গুগলির সামনে ‘ক্লিন বোল্ড’ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে কী না! সম্প্রতি সৌরভের সঙ্গে দাদাগিরি খেলতে এসেছিলেন অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিনেত্রী দেবলীনা দত্ত। সেখানেই নিজেদের ভয় নিয়ে কথা বললেন তারা।

দাদাগিরি মঞ্চে অনেক পুরনো খিলাড়ি রাহুল। বেশ কয়েকবার দাদাগিরির ট্রফি জিতেছেন তিনি। কিন্তু তাও প্রতিবারই খেলতে এসে ব্যাপক টেনশনে ভোগেন তিনি। কীসের এত টেনশন তাঁর? রাহুলের জবাব, “আগেও অনেকবার দাদাগিরির মঞ্চে এসেছি। বেশ কয়েকবার জিতেওছি। সবাই খুব প্রশংসা করেছে। কিন্তু দাদাগিরির এলে প্রতিবার সেই এক টেনশন, মনে হয় এইবার হেরে যাব। আর আমার তো আগের রাতে ঘুম হয় না এটা ভেবে, যে স্বপ্নের ক্যাপ্টেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের মুখোমুখি হব”।

সৌরভের অন্ধ ভক্ত রাহুল। এর আগে দাদাগিরির মঞ্চে সৌরভকে নিয়ে লেখা নিজের একটি কবিতা পাঠ করে শুনিয়েছিলেন তিনি। সৌরভের খেলার মাঠের কীর্তিকে শ্রদ্ধা জানিয়ে ‘৯৬’ নামের একটি তৈরিও শুরু করেছিলেন। কিন্তু নানান কারণে মাঝপথেই বন্ধ হয়ে যায় সেই ছবি।

অন্যদিকে, এই পর্বেই দেখা গেল অভিনেত্রী দেবলীনা দত্তকেও। শেষবার যখন এসেছিলেন, তখন দাদাগিরি জিতেছিলেন তিনি। এবার সেই স্মৃতি উস্কে তিনি বললেন, “গতবার যখন এসেছিলাম তার থেকে অনেক কিছু চেঞ্জ হয়ে গিয়েছে। সেট, ফর্ম্যাট, প্রশ্নের ধরণ, সব বদলে গিয়েছে। সেইজন্য একটু অন্যরকম লাগছে, মনে হচ্ছে অন্য কোনও ফ্লোরে এসেছি”। সব মিলিয়ে এই পর্ব একেবারে জমজমাট যে ছিল, তা বলাই বাহুল্য।

RELATED Articles