প্রথমবার পরিচালকের আসনে বসেই বড় স্বীকৃতি পেলেন অভিনেতা রণদীপ হুডা। ‘স্বতন্ত্র বীর সাভারকর’ ছবির জন্য তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে সেরা নবাগত পরিচালকের সম্মান অর্জন করেছেন। এই পুরস্কার পাওয়ার পর নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে রণদীপ বলেন, এখনও তাঁর কাছে বিষয়টি অবিশ্বাস্য মনে হচ্ছে। তাঁর কথায়, এই ছবি তৈরিতে জীবনের অন্য যে কোনও কাজের তুলনায় অনেক বেশি পরিশ্রম, ত্যাগ এবং দায়িত্ব নিতে হয়েছে।
রণদীপ জানান, ‘স্বতন্ত্র বীর সাভারকর’ তাঁর কাছে শুধু একটি সিনেমা ছিল না, বরং একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। ছবির কাজ চলাকালীন একের পর এক সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়েছে গোটা টিমকে। তবে সব বাধা অতিক্রম করে তাঁরা ছবিটি শেষ করতে সক্ষম হয়েছেন। কঠিন পরিস্থিতিতেও দলের কেউ হাল ছাড়েননি বলেই এই সাফল্য সম্ভব হয়েছে বলে তিনি মনে করেন।
এই ছবিতে রণদীপ একসঙ্গে অভিনেতা, সহ চিত্রনাট্যকার এবং পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাই প্রতিটি ধাপে তিনি নিজের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। তাঁর মূল লক্ষ্য ছিল বীর সাভারকরের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়কে যতটা সম্ভব সত্যনিষ্ঠ ও আন্তরিকভাবে দর্শকদের সামনে তুলে ধরা, যাতে ইতিহাসের এই চরিত্রকে নতুনভাবে চিনতে পারেন মানুষ।
অভিনেতার মতে, ছবি তৈরির সময় যে সব চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়েছে, তা বীর সাভারকরের জীবনের সংগ্রামের তুলনায় খুবই সামান্য। তাই তাঁর জীবন ও আদর্শকে বড় পর্দায় তুলে ধরার ক্ষেত্রে দায়িত্ব আরও বেড়ে গিয়েছিল। এই জাতীয় পুরস্কারকে তিনি শুধু নিজের নয়, পুরো টিমের সম্মিলিত পরিশ্রমের স্বীকৃতি বলেই উল্লেখ করেছেন এবং সকল সহকর্মীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
আরও পড়ুনঃ ‘জনগণ আর কতদিন চুপ থাকবে?’ অনশনের ২১তম দিনে সোনম ওয়াংচুকের উপর হামলার অভি’যোগ! জোর করে সরিয়ে দিতেই ক্ষো’ভে ফেটে পড়লেন বিশাল দাদলানি, প্রশ্ন তুললেন স্বাধীনতার অধিকার নিয়ে?
২০২৪ সালের মার্চ মাসে মুক্তি পাওয়া ‘স্বতন্ত্র বীর সাভারকর’ মুক্তির পর দর্শক ও সমালোচকদের প্রশংসা কুড়িয়েছিল। শুটিংয়ের সময় চরিত্রের জন্য রণদীপের শারীরিক পরিবর্তনের ছবি সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনায় আসে। চরিত্রটিকে বাস্তবসম্মত করে তুলতে তিনি প্রায় ৩০ কেজি ওজন কমিয়েছিলেন। তাঁর আশা, এই জাতীয় সম্মান আরও বেশি মানুষকে, বিশেষ করে তরুণদের, বীর সাভারকরের জীবন, আদর্শ এবং স্বাধীনতা সংগ্রামে তাঁর ভূমিকা সম্পর্কে জানার আগ্রহ তৈরি করবে।






