দাবীর ঠেলায় প্রাণ ওষ্ঠাগত! জোর করে ‘কাঁচা বাদাম’ গাওয়ানো হচ্ছে রানু মণ্ডলকে দিয়ে, বিস্ফোরক অভিযোগ রানুর

সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতেই দু’জন ভাইরাল হয়েছেন। মাঝে কয়েকটা বছরের তফাত। ইতিমধ্যেই একজন সাফল্যের সিঁড়ি বেয়ে উঠেও যেন হঠাৎ নীচে পড়ে গিয়েছেন, আর অন্যদিকে একজন এখন ভরপুর উপভোগ করছেন সাফল্য। কিন্তু একজনের জন্য অন্যজনের প্রাণ যদি অতিষ্ঠ হয়ে ওঠে, তাহলে তো অভিযোগ হবেই।

আসলে, সম্প্রতি রানু মণ্ডল এসেছিলেন কলকাতায়। তাঁর আসন্ন বায়োপিকের জন্য দু’টি গান গেয়েছেন তিনি। সিধু ও সন্দীপ করের সঙ্গীত পরিচালনায় গান দুটি রেকর্ড করেন তিনি। দক্ষিণ কলকাতার একটি স্টুডিওতে আনা হয়েছিল রানুকে। সেখানে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন তিনি।

তবে নতুন জায়গায় এসে বেশ অপ্রস্তুত হয়ে পড়েন রানু মণ্ডল। এক নাগাড়ে তাঁকে একটাই কথা বলতে শোনা যায়, “ভালো লাগছে না, বাড়ি যাব”। রানু মণ্ডল কলকাতায় আসছেন শুনে কোনও সুযোগই হাতছাড়া করতে চায় নি কোনও সংবাদমাধ্যম বা ইউটিউবারদের একাংশ। তাদের এক একজনের এক একরকমের দাবী।

কেউ তাঁকে জোর করলেন ‘কাঁচা বাদাম’ গেয়ে শোনানোর জন্য, তো আবার কারোর দাবী যাতে রানু মণ্ডল বিস্ফোরক কোনও মন্তব্য করেন। আসলে মাঝেমধ্যেই নানান বেফাঁস কথাবার্তা বলে ফেলেন রানু। এসবের মাঝে পড়ে রানু মণ্ডলের অবস্থা একেবারেই হল খারাপ।

তিনি সংবাদমাধ্যমে জানান যে তিনি ভাইরাল না হলেই হয়ত ভালো হত। ভাইরাল হওয়ার আগেও তাঁকে অনেকে বিরক্ত করত। তবে ভাইরাল হওয়ার পর বাইরে বেরোনোই দুষ্কর হয়ে উঠেছে তাঁর জন্য। তিনি জানান যে অনেক স্বপ্ন নিয়ে তিনি মুম্বই গিয়েছিলেন বটে, অনেক প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। কিন্তু কার্যক্ষেত্রে এর কিছুই হয়নি।

রানু মণ্ডল জানান যে মুম্বই থেকে ফেরার সময় মাসে কখনও চার হাজার বা কখনও পাঁচ হাজার টাকা পেতেন তিনি। কিন্তু পরে তাও বন্ধ হয়ে যায়। নিজেই গান গাইতেন তিনি। তাঁর বাড়িতে ইউটিউবাররা আসে, কেউ কখনও বিস্কুট, কেক, অনেক সময় কেউ বিরিয়ানি নিয়ে আসে।

কিন্তু তিনি জানান যে ক্যামেরায় দেখানোর জন্যই অনেকে বিরিয়ানি নিয়ে আসেন। বেশিরভাগ সময়ই তা পচা বেরোয়। খাবার ভালো হল তা খান তিনি। তবে নিজের বায়োপিক হচ্ছে জেনে খুব খুশি রানু। তাঁর আশা, এরপর যদি তাঁর অবস্থার একটু উন্নতি হয়।

RELATED Articles