আগামীকাল, সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে মাধ্যমিক পরীক্ষা। প্রশ্নপত্র যাতে ফাঁস ন হয়, সেদিকে কড়া নজর রাখা হচ্ছে। প্রয়োজনে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে বলেও জানাচ্ছে রাজ্য সরকার। স্বরাষ্ট্র দফতরের তরফে নির্দেশিকা জারি করে জানানো হল যে কোথাও যদি টোকাটুকি বা গণ্ডগোলের ছবি ধরা পড়ে, তাহলে সংশ্লিষ্ট পরীক্ষাকেন্দ্র ও লাগোয়া এলাকায় ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে।
এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন জেলাশাসক ও পুলিশ সুপার। পরীক্ষা চলাকালীন অর্থাৎ তিন ঘণ্টা বন্ধ থাকতে পারে ইন্টারনেট। এমনকি, এ জন্য রাজ্যের বেশ কয়েকটি স্পর্শকাতর এলাকা ইতিমধ্যেই চিহ্নিত করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।
করোনা আতঙ্ক কাটিয়ে এবার খাতায়-কলমে পরীক্ষা দেবে পড়ুয়ারা। গত বছরের নভেম্বরেই মাধ্যমিকের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করা হয়েছিল মধ্যশিক্ষা পর্ষদের তরফে। এবছর মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১১ লক্ষ ২৬ হাজার ৮৬৩। মধ্যশিক্ষা পর্ষদের ইতিহাসে এই সংখ্যা এখনও পর্যন্ত রেকর্ড।
রাজ্যজুড়ে ১ হাজার ৪৩৫ প্রধানকেন্দ্র ও ২ হাজার ৭৫৯ উপকেন্দ্রে হবে পরীক্ষা। মাস খানেক আগে থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছিল প্রস্তুতি। গত শুক্রবারও রাজ্য পুলিশের কর্তাদের সঙ্গে লালবাজারে বৈঠক করেছেন পর্ষদ সভাপতি কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায়।
প্রত্যেক বছরই মাধ্যমিক পরীক্ষায় নানান জায়গা থেকে টোকাটুকির অভিযোগ মেলে। গত বছর করোনা পরিস্থিতির কারণে মাধ্যমিক পরীক্ষা বাতিল হয়ে যায়। ২০২০ সালে শেষবার পরীক্ষার হলে বসে পরীক্ষা দিয়েছিল মাধ্যমিক পড়ুয়ারা।
সে বছর প্রথমদিনই দেদার টোকাটুকির ছবি ধরা পড়েছিল মালদহে রতুয়ার ভালুকা হাইস্কুলে। এমনকি, টিকটকে প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়ে যাওয়ার গুজবও ছড়িয়েছিল। এই কারণে এই বছর নকল রুখতে কড়া পদক্ষেপ নিচ্ছে রাজ্য সরকার।
স্রেফ প্রয়োজনে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধের নির্দেশিকা জারি করাই নয়, মালদহ, মুর্শিদাবাদ, কোচবিহার, বীরভূম, উত্তর দিনাজপুর, জলপাইগুড়ি ও দার্জিলিং জেলার বেশ কয়েকটি স্পর্শকাতর এলাকা চিহ্নিত করে ফেলা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।





