হঠাৎ করেই কিছু বছর আগে গোটা ভারতের সংবাদ শিরোনামে উঠে এসেছিলেন রানাঘাটের রানু মন্ডল (Ranu Mondal)। রানাঘাট স্টেশনে ভবঘুরে এই দরিদ্র মহিলার সুরেলা কণ্ঠকে সোশ্যাল মিডিয়ায় তুলে ধরেছিলেন অতীন্দ্র চক্রবর্তী নামে এক ব্যক্তি। এরপর মুম্বাইতে বলিউডের বিখ্যাত গায়ক সুরকার হিমেশ রেশমিয়া (Himesh Reshmia) তাকে দিয়ে গান রেকর্ড করান। সেই বছর পুজোতে তাঁর গাওয়া তেরি মেরি গানটি ছেয়ে গিয়েছিল। কিন্তু বর্তমানে তাকে আর দেখা যায় না। কোথায় গেলেন রানু মন্ডল?
খবর নিয়ে জানা গেল, এই মুহূর্তে রানাঘাটের এই লতা কন্ঠীর অবস্থা বিশেষ ভালো নয়। হাতে নাকি কোন কাজ নেই। নতুন কেনা বাড়ি ছেড়ে ফিরে আসতে হয়েছে পুরনো বাড়িতে। কিন্তু একসময়ের ইন্টারনেট সেনসেশনের এই দুর্দশা কেন?
তার নিজের অত্যন্ত অহংকার এবং মানুষ জনের সঙ্গে দুর্ব্যবহার (Misbehave) তার এই পথে বসার কারণ। শুরু থেকেই তার কথায় কিছুটা অপ্রকৃতিস্থ ভাব লক্ষ্য করা যেত। এরপর হঠাৎ করে প্রচারের আলোয় চলে এসে তিনি একাধিক সাক্ষাৎকারে বিভিন্ন অহংকারী কথাবার্তা বলেছেন। এছাড়া বাস্তব জীবনেও যখন লোক তাকে চিনতে পেরে তার সঙ্গে কথা বলার জন্য এগিয়ে গিয়েছে তিনি তাদের সঙ্গে অত্যন্ত দুর্ব্যবহার করেছেন।গতবছর কাতারের একটি শপিং মলে এক বাঙালি ভক্ত রাণুকে পিছন থেকে ডেকে ছবি তুলতে চাইলে প্রচন্ড ক্রুদ্ধ হয়ে খারাপ ব্যবহার করেন রানু। সেই সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন হিমেশ রেশমিয়া। তিনি নিজে যথেষ্ট বিরক্ত হয়েছিলেন রানুর উপর।
এরপর একটি বেসরকারি চ্যানেলে বড় বড় শিল্পীদের সঙ্গে পারফর্ম করার কথা ছিল রাণুর, যেখানে অথিতি হওয়ার কথা ছিল বিগ বি অমিতাভের। কাতারের শপিংমলে ভক্তের সঙ্গে অভব্য আচরণের ওই ঘটনার পর তাকে বাদ দিয়ে দেন চ্যানেল কর্তৃপক্ষ। এখন আর সাধারণ মানুষের জন্যেই ইন্টারনেটে তিনি প্রবল পরিচিতি পেয়েছিলেন।সেই মানুষদের সঙ্গে অত্যন্ত খারাপ ব্যবহার করায় আজ পুরোনো জীবনেই বাধ্য হয়ে ফিরতে হয়েছে রানু মন্ডল কে।






