রাজনৈতিক রঙ না দেখেই আয়োজন করা হয়েছে বিজয়া সম্মিলনী, মমতার আমন্ত্রণে মুগ্ধ বিজেপির রূপাঞ্জনা

২০১১ সাল থেকেই তিনি বিজয়া সম্মিলনীর আমন্ত্রণ পেয়ে আসছেন। তবে মাঝে ২০১৯ সালে সে নিয়মে ভাঁটা পড়ে। আর ২০২০ সালে তো করোনার কারণে বিজয়া সম্মিলনীই হয়নি। তবে এবছর আলাদা। চিঠি এল হলদেটে হালকা কারুকাজের খামে মুড়ে। আমন্ত্রণ পেয়ে বেশ কিছুটা অবাকই হয়েছিলেন অভিনেত্রী রূপাঞ্জনা মিত্র।

এক সংবাদমাধ্যমে রূপাঞ্জনা বলেন, “দিদির নেমন্তন্ন পেয়ে যেমন খুশি হয়েছি তেমনি অবাক লেগেছে”। বিজেপি-র সদস্যকে কি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নেমন্তন্ন করেন? অভিনেত্রীর জবাব, “এটা কোনও রাজনৈতিক সমাবেশ ছিল না। কে কোন দলে আছে, তার বিচার এখানে করা হয়নি। বরং শিল্পীদের সম্মান জানানো হয়েছে। খুব ভাল লেগেছে আমার”।

এই বিজয়া সম্মিলনীতে কোনওরকমের রাজনৈতিক রঙ দেখেই শুধুমাত্র শিল্পীদের ডাকা হয়েছিল। এই ভাবনা রূপাঞ্জনাকে মুগ্ধ করছে বারবার। শুধুমাত্র বিজেপির সদস্য বলেই তিনি এই সম্মিলনীতে যে যোগ দিতে পারবেন না, এমন কোনও নিয়ম তাঁর দলে রয়েছে বলে তিনি বিশ্বাস করেন না।

এদিনের এই বিজয়া সম্মিলনীতে রূপাঞ্জনা মাত্র ৩০ মিনিট ছিলেন। বানতলায় শুটিং সেরে সোজা পৌঁছেছিলেন ইকো পার্কে। অনেক পুরনো বন্ধুদের সঙ্গে দেখা হয়েছে এদিন, জানান অভিনেত্রী। কৌশিক সেন থেকে শুরু করে অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায়, ইমন চক্রবর্তী, অনেক গুণী শিল্পীরা হাজির ছিলেন তিনি।

রূপাঞ্জনা বলেন, “আমাকে দেখেই রাজ চক্রবর্তী জায়গা ছেড়ে দিয়ে বসতে দিল। রাজের প্রতি আমার সম্মান বাড়ল। এই যে শিল্পীরা সহকর্মীদের সম্মান করেন, এটাই পাওয়া”।

রাজের বেশ প্রশংসান করেছেন অভিনেত্রী। তাঁর কথায়, রাজ শুধু ভাল মানুষই নন, তিনি কঠোর পরিশ্রম করে নিজের জায়গা তৈরি করেছেন, তা যে কোনও শিল্পীর কাছে শিক্ষণীয় বলেই মনে করেন রূপাঞ্জনা।

RELATED Articles