জি বাংলার বহুল আলোচিত ধারাবাহিকগুলির মধ্যে ‘মিঠিঝোরা’ এখন অন্যতম। বরাবরই দর্শকদের মন জয় করে এসেছে ধারাবাহিক। স্লট পরিবর্তনের পরেও এর টিআরপি উল্লেখযোগ্যভাবে ভালো। তিন বোন রাই, নীলু, এবং স্রোতের কাহিনী দর্শকদের বেশ পছন্দের। ধারাবাহিছে নীলু শৌর্যের জুটি, রাই-অনির্বাণের জুটির পর ট্র্যাকে আসবে স্রোত-স্বার্থকের (Srot-Sarthak) জুটির প্রেম।
বর্তমানে স্রোত এবং সার্থকের (Srot-Sarthak) জুটি দর্শকদের মধ্যে বেশ জনপ্রিয়। যদিও রাইয়ের বিয়ের কারণে স্রোত-সার্থককে একসাথে দেখা যাচ্ছে না, যার ফলে তাদের অনুরাগীরা এই জুটিতে চোখে হারাচ্ছেন। আজকাল তারা দুজনে একসঙ্গে রিল ভিডিও শেয়ার করছেন। এর ফলে নেটিজেনদের মনে প্রশ্ন জাগছে, অনস্ক্রিনের পর এবার কি অফস্ক্রিনেও প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠছে স্রোত-সার্থক অর্থাৎ স্বপ্নীলা চক্রবর্তী ও মৈনাক ঢোলের মধ্যে?
স্রোত যে মেডিকেল কলেজে পড়াশোনা করছে, সেখানে প্রফেসর সার্থক। যদিও তাদের সম্পর্ক ছাত্রী-শিক্ষকের মতো নয়, বরং তাদের (Srot-Sarthak) সারাক্ষণ ঝগড়া লেগে থাকে। একইসঙ্গে তারা একে অপরের প্রতি খুব যত্নশীলও। সার্থকের বাবা স্রোতকে বেশ পছন্দ করেন। স্রোতকে অন্য ছেলের সঙ্গে দেখলে সার্থকের হিংসা হয়। অর্থাৎ, বাংলা ধারাবাহিকের ধরনে বোঝা যাচ্ছে, গল্প ধীরে ধীরে প্রেম এবং বিয়ের দিকে এগোচ্ছে।
অনস্ক্রিনের বাইরেও স্বপ্নীলা আর মৈনাকের সম্পর্ক কেমন?
স্বপ্নীলা জানালেন, ‘ অনস্ক্রিনে হুকোমুখো স্যার, আর অফস্ক্রিনে হুকোমুখো মৈনাক দা।’ মৈনাক যোগ করেন, ‘ও খুব ভালো মেয়ে। বোনের মতো বলতে পারো। প্রেমের মতো একেবারেই নয়। আমরা ভালো বন্ধু।’ মৈনাকের কথা থামিয়ে স্বপ্নীলা বললেন, ‘দেখো, তোমাকে অনস্ক্রিনে তো ওইরকমভাবে দেখতে হবে। তাই বোনটা বোলো না।’ মৈনাক বললেন, ‘বোন হিসেবে দেখিও না। বন্ধু।’ স্বপ্নীলা হেসে বলেন, ‘আমাকে সারাক্ষণ বিরক্ত করে। ঝগড়া করে। আমার মতো নিরীহ একটা মানুষ…’ মৈনাক মজা করে বলেন, ‘ওমনি উলটে গেল… ভাজা মাছটা উলটে খেতে পারে না…’ অর্থাৎ, অনস্ক্রিনের মতো অফস্ক্রিনেও(Srot-Sarthak) ঝগড়া ও খুনসুটি চলে।
কাজের সূত্রে স্বপ্নীলাকে ‘এক্কা দোক্কা’ ধারাবাহিকে দেখা গিয়েছে। এছাড়া, তিনি সান বাংলার ‘কন্যা দান’ ধারাবাহিকেও ছিলেন। অন্যদিকে, মৈনাককে শেষ দেখা গিয়েছে আকাশ আটের সিরিয়াল ‘মিষ্টু’তে।





