“আমি পুরোপুরি সিঙ্গেল, মনেরমানুষ পেলে সোজা এনগেজমেন্ট করব”, অকপটে মিঠাই

মা-বাবার একমাত্র মেয়ে। তাই প্রচণ্ড আদরের। বাড়ির কোনও কাজই করতে হয় না। করতে হয় না থেকেও বলা ভালো করতে দেওয়া হয় না। আসলে তিনি নিজেই স্বীকার করেছেন যে তিনি হাতে-পায়ে লক্ষ্মী। তাই কোনও কিছু করতে গেলে তা আরও খারাপ হয়ে যায়। ছোটো থেকে বারাসাতেই বড় হয়েছেন মিঠাই অর্থাৎ সৌমিতৃষা কুণ্ডু।

সম্প্রতি এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সৌমিতৃষা বলেন যে অভিনয়ের জগতে আসার পর কিন্তু তিনি একটুও বদলান নি। বদলেছেন, তবে সেটাও কাজের ক্ষেত্রে। গত বেশ কিছু সপ্তাহ ধরে টিআরপির শীর্ষে রয়েছে ‘মিঠাই’ ধারাবাহিক। এর নেপথ্যে কী কারণ?

আরও পড়ুন- ‘কত ভালো কথা লিখলাম তোর জন্য গরু’, জন্মদিনে বিক্রমকে মিষ্টি শুভেচ্ছা জানালেন প্রিয় বান্ধবী ঐন্দ্রিলা

এই বিষয়ে অভিনেত্রী বলেন যে একদিনে সব কিছু হয়নি, ধীরে ধীরে এগিয়েছে। তবে প্রত্যেক বুধবার বেশ টেনশনে থাকেন তিনি। কারণ সেদিনই যে তাদের ভাগ্য নির্ধারণের দিন। ঈশ্বরে খুব বিশ্বাস করেন সৌমিতৃষা। তাঁর উপর ভরসা রেখেই চলছে ধারাবাহিক, এমনটাই মনে করেন অভিনেত্রী।

সৌমিতৃষা জানান, এর আগে করোনা পরিস্থিতিতে তারা কীভাবে সব বিধিনিষেধ মেনে কাজ করেছেন। শট শেষ হলেই মাস্ক পরে নিতেন তারা, এর ফলে বারবার মেকআপের টাচআপ দিতে হত। তিনি মনে করেন যে অভিনেতা-অভিনেত্রীরাও জরুরি কাজ করছেন। কারণ, এই আপদকালীন সময়ে মানুষকে মনোরঞ্জন করা, মানুষের মন ভালো রাখা, এটাও একটা ভালো কাজ। তবে রাজ্যে জারি হওয়া ফের লকডাউনের কারণে আপাতত শুটিং বন্ধ তাদের।

আরও পড়ুন- বোল্ড ফটোশুটে নেট দুনিয়ায় উষ্ণতা ছড়াচ্ছেন ‘দেশের মাটি’র মাম্পি, অভিনেত্রীর রূপের ঝলকানিতে মজল দর্শক

প্রেমের কথা বলতে গিয়ে সৌমিতৃষা জানান যে তিনি একেবারেই সিঙ্গেল। মনের মানুষ পেলে তিনি নাকি আগে এনগেজমেন্ট করবেন, তারপর ৮-১০ বছর বাদে বিয়ে। কেমন মনের মানুষ চান মিঠাই? তাঁর উচ্ছেবাবুর মতো? এই প্রশ্নে অভিনেত্রীর সোজাসাপটা জবাব, তিনি নিজের মতোই জীবন সঙ্গী চান। একেবারেই উচ্ছেবাবু অর্থাৎ ধারাবাহিকের সিদ্ধার্থের মতো নয়। কখন কোথায় গোপালের দয়ায় মনের মানুষের সঙ্গে তাঁর দেখা হয়ে যায়, সেই অপেক্ষাতেই রয়েছেন সৌমিতৃষা।

RELATED Articles